বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের (Ajit Pawar) মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়েছিল ভেঙে পড়া বিমানের ব্ল্যাকবক্স। বিমানের ব্ল্যাকবক্সেই (Black Box) বিমানের গতিবিধি সংক্রান্ত যাবতীয় খুঁটিনাটি এবং ককপিটের ভিতরের কথোপকথনের রেকর্ড করা থাকে। ফলে ব্ল্যাকবক্সের তথ্য খতিয়ে দেখে অজিতের বিমান ভেঙে পড়ার আগে ঠিক কী ঘটেছিল ককপিটে (Cockpit) সেই সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে এমনটাই মনে করা হয়েছিল। কিন্তু আদতে খুব সহজসাধ্য বিষয় সেটা একেবারেই হল না। ব্ল্যাক বক্স এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে তথ্য সংগ্রহ করা গেলেও সেগুলো ‘ডিকোড’ করা কার্যত অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে। অতএব আপাতত আরও প্রযুক্তিগত পরীক্ষার ওপরেই ভরসা করা ছাড়া উপায় নেই বলেই সূত্রের খবর।

সরকারের তরফে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে আগামী এক,দু’দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তথ্য পুনরুদ্ধারের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্ল্যাক বক্সটি বিদেশে পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে, DGCA বিমানটির উড়ানের যোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যের উপর একটি তদন্ত শুরু করেছে। এই তদন্তে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগবে। অপারেটিং কোম্পানি থেকে উদ্ধার করা নথি পর্যালোচনা করছেন তদন্তকারীরা। যদিও পরিবারের তরফে বারংবার তদন্তের অগ্রগতির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেই খবর।

প্রসঙ্গত, দুর্ঘটনার পর সন্ধ্যায় বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো-র একটি বিশেষ দল দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফরেনসিক তদন্ত শুরু করে। ভেঙে পড়া লিয়ারজেট-৪৫ মডেলের বিমানটির ব্ল্যাকবক্স (Black Box) উদ্ধার করা হয়। সেটির মধ্যে থাকা তথ্য বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছিল। দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল ককপিটের অভ্যন্তরে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট এলেই জানা যাবে বলে মনে করা হয়েছিল কিন্তু ফল আশানুরূপ একেবারেই হয়নি বলেই সূত্রের খবর। তবে ডিজিসিএ-র তরফে জানা গিয়েছিল দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে একজন পাইলট, অপর জন ফার্স্ট অফিসারের মধ্যে একজন চিৎকার করে বলে ওঠে, ‘‘ওহ্ শিট!’’ যদিও তারপর ওই বিমান থেকে আর কোনও সাড়াপাওয়া যায়নি।

–

–

–

–

–

–

–


