শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা এবং নিয়মাবলী উন্নত করতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করল কলকাতা পুলিশ। মঙ্গলবার বৈঠকে সংশ্লিষ্ট এসিপির তত্ত্বাবধানে প্রতিটি ট্রাফিক গার্ডের অধীনে একটি ক্রসিংয়ে স্পট ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে আলোচনা হয়। অতিরিক্ত সিপি (চতুর্থ) সকল উপস্থিত এসিকে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে প্রতিটি ট্রাফিক গার্ডের জন্য একটি ক্রসিং বেছে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং ক্রসিংগুলি উন্নত করার জন্য অনুরোধ করেন যাতে যানবাহন চলাচল, পথচারীদের কোনরকম সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়। এরপর যুগ্ম নগরপাল, ট্রাফিক রূপেশ কুমার গোটা পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন। তিনি সকল এসিকে এমনভাবে একটি ক্রসিং তৈরি করার অনুরোধ জানান যাতে যানবাহন চলাচলের উন্নতি পরিলক্ষিত হয়।

এদিনের বৈঠকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, পথচারীদের জন্য সুশৃঙ্খল ক্রসওভার তৈরি করতে হবে এবং একই সাথে সেই নির্দিষ্ট স্থান বা ক্রসিংয়ের সৌন্দর্য বজায় রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন যে, যেকোন রকম ঘটনায় হস্তক্ষেপের আগে এবং ব্যবস্থা গ্রহণের পরে ছবি তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ছোট ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। এর ফলে পরবর্তী তদন্তে অনেকটাই সুবিধা হবে। এমনকি উন্নত পদ্ধতিটি আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন প্রস্তুত করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, কলকাতা পুলিশের নগরপাল হিসেবে সুপ্রতিম সরকার দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। দীর্ঘ ৮ বছর পর ফের একবার শুরু হয়েছে ‘অন রোড পুলিসিং’। প্রথম থেকেই তিনি বেশি সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করার উপর জোর দিয়েছিলেন। রাস্তায় কোথায় কেমন পুলিশ রয়েছে, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে গত শনিবার তিনি নিজেই রাস্তায় নেমে পড়েছিলেন। ঘুরে দেখেছিলেন কলকাতার বিভিন্ন ক্রসিং, শপিং মল। ব্যস্ত সময়ে এলাকায় যাতে পুলিশের টহল নজরে পড়ে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। শহরে অপরাধ ও দুর্ঘটনা রুখতে পুলিশি টহলদারির উপর জোর দেন কলকাতার নগরপাল। তারপরেই মঙ্গলবারের এই নির্দেশিকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন – নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে সরব মমতা, উদাহরণ টানলেন বাংলাদেশের

_

_

_

_

_

_
_


