ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (Bangladesh election) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠন করল বিএনপি (BNP)। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের (Tarique Rahman) নেতৃত্বে এবার বাংলাদেশের নতুন যাত্রা শুরু হতে চলেছে। ভারত, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সংসদীয় দলনেতা হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করেন বিএনপি নেতা।
এদিন সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ গ্রহণ হলেও মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের শপথের অনুষ্ঠান হবে বিকেলে। বিকেল চারটে নাগাদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন খালেদা পুত্র।


এতদিন ধরে বাংলাদেশ নতুন মন্ত্রিসভার শপথের আনুষ্ঠানিকতা হতো বঙ্গভবনের দরবার হলে। কিন্তু এবারে ব্যতিক্রম। খোলা আকাশের নিচে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এখানেই শেষ নয়, সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার এ দায়িত্ব পালন করেন, কিন্তু গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সংবিধান অনুযায়ী মঙ্গলবার শপথ বাক্য পাঠ করালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) এ এম এম নাসিরউদ্দীন। প্রায় বারোশো জন দেশি বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। সারাদিন ধরেই ছোটখাটো একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী এদিন সংবিধান সংস্কারের জন্য বিএনপিকে শপথ নেওয়ার কথা বলে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে জামাতের (Jamat-e-Islami) বিরুদ্ধে। তারেকের দলের তরফে পাল্টা জানানো হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে তাঁরা শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না। কারণ, তাঁরা ওই পরিষদের কোনও সদস্য নন।

–

–

–

–

–

–

–

–


