সামনেই দোল পূর্ণিমা, তার পরদিন হোলি। বসন্তের এই রঙের উৎসবে গোটা দেশের সঙ্গে মাতবে বাংলাও। তবে এবার সেই উদযাপনে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সোমবার, ২ মার্চ নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য মিলনোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। দোল ও হোলির এই যুগলবন্দিতে শামিল হবেন শহরের সব সম্প্রদায়ের মানুষ। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান এক মহামিলন মেলায় পরিণত হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নবান্ন সূত্রে খবর, সোমবারের এই অনুষ্ঠানে বাংলার সংস্কৃতির পাশাপাশি ভারতের বিচিত্র লোকনৃত্যের মেলবন্ধন ঘটবে। ইনডোর স্টেডিয়ামের মঞ্চে পরিবেশিত হবে ভাঙরা, গরবা, ডান্ডিয়া এবং রাজস্থানি নাচ। বিহারী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকেও থাকবে বিশেষ একটি সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা। দোল ও হোলির আনন্দকে ভাগ করে নিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য, পদস্থ আমলা এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত থাকবেন এই অনুষ্ঠানে।

এই রঙিন মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী ফের সম্প্রীতির বার্তা দেবেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর মূল মন্ত্রই হল, বাংলায় কোনও ধরনের সাম্প্রদায়িক উস্কানি বা বিভেদের রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্যের সম্পর্ক অটুট রাখাই তাঁর সরকারের লক্ষ্য। বছরভর সব ধর্মের মানুষের উৎসবে শামিল হওয়া এবং বিপদে পাশে থাকার যে ধারা মুখ্যমন্ত্রী বজায় রেখেছেন, কালকের অনুষ্ঠান তারই এক ধারাবাহিকতা।

তবে কেবল নাচ-গান বা রঙের উৎসব নয়, সোমবারের এই মঞ্চ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপও নিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, এসআইআর বা ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত আতঙ্কে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিতে পারেন তিনি। এ ছাড়াও রাজ্য সরকারের একাধিক জনমুখী প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর। সব মিলিয়ে সোমবারের নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামের অনুষ্ঠান ঘিরে এখন সাজ সাজ রব প্রশাসনিক মহলে।

আরও পড়ুন- আগুনে মেজাজে টিম ইন্ডিয়া, পিচের চরিত্র থেকে সম্ভাব্য প্রথম একাদশ, রইল ইডেনের খুঁটিনাটি

_

_
_

_
_

_

