বাংলায় নির্বাচন নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতি সারতে এসে জোর গলায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC, Gyanesh Kumar) দাবি করেছেন, ন্যায্য ভোটারদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে না। সেই দাবি করেই আবার তিনি ঘুরেছেন কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর, বেলুড় মঠ (Belur Math)। অথচ সেই বেলুড় মঠের ৯১ জন সন্ন্যাসীই পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকায় (final voter list) অ্যাডজুডিকেশন (adjudication) বা বিচারাধীন তালিকাভুক্ত। প্রশ্ন উঠেছে, তবে বেলুর মঠে গিয়ে সন্ন্যাসীদের (Maharaj) প্রশ্নের উত্তর কী দিলেন জ্ঞানেশ কুমার?

মঙ্গলবার সাতসকালে বেলুড় মঠে হাজির হয়েছিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পরিদর্শনের পাশাপাশি মঠের সন্ন্যাসীদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ থাকে কথা বলতেও দেখা যায় তাঁকে। সেখানেই প্রমাণিত জ্ঞানেশ কুমারের মস্তিষ্কপ্রসূত বর্তমান বাংলার ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধনের প্রক্রিয়া কতটা ত্রুটিপূর্ণ। যে সন্ন্যাসীদের (Maharaj) সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলেছিলেন জ্ঞানেশ (CEC, Gyanesh Kumar), তাঁদের মধ্যেই ৯১ জন এখনও ভোটার তালিকায় অ্যাডজুডিকেশনের (adjudication) অধীন।

আরও পড়ুন : বাংলায় শান্তিপূর্ণ, ভয়মুক্ত নির্বাচন: পরিস্থিতি নির্বাচনের অনুকূল, প্রমাণ করলেন জ্ঞানেশ

সাধারণত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেন না রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের (Ramakrishna Math and Mission) সন্ন্যাসীরা। তাঁরা ভোটদান থেকে বিরত থাকলেও দেশ তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারে না। সন্ন্যাস গ্রহণ করায় তাঁরা নীতি অনুযায়ী ভোটদান প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু সেই কারণে তাঁদের নাম পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েনি এত বছরে। এবারে যে কারণে এই অভূতপূর্ব ঘটনা, তা সম্পূর্ণই এআই দিয়ে এসআইআর করে যে প্রক্রিয়ায় গোটা বাংলার ৬০ লক্ষ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, সেই ভাবেই অ্যাডজুডিকেশনে ৯১ জন বেলুড় মঠের সন্ন্যাসী (Maharaj)। তাঁরা প্রশ্ন তুলছেন সব নথি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পরেও কিভাবে এমনটা হতে পারে?

–

–

–

–

–

–


