নিজেদের পেস বোলিং বিভাগকে যতটা শক্তিশালী করার চিন্তাভাবনা করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders), টুর্নামেন্ট শুরুর এক সপ্তাহ আগে ঠিক ততটাই ব্যাকফুটে শাহরুখ বাহিনী। একের পর এক চোট আঘাতে জর্জরিত কেকেআর (KKR)। হর্ষিত রানার (Harshit Rana) ছিটকে যাওয়া নিয়ে আগেই অফিসিয়াল ঘোষণা হয়েছিল। এবার চোটের জন্য আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন আকাশদীপ (Akash Deep)। শনিবার সরকারি ভাবে আকাশদীপকে না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন কেকেআর কর্তৃপক্ষ। বাংলার পেস বলারকে না পাওয়া এই মুহূর্তে নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা অভিষেক নায়ার, অজিঙ্ক রাহানেদের কাছে। যদিও পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে নিজের দায়িত্ব পালনে দলের ফার্স্ট বোলিংকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব গিয়ে পড়ল বৈভব অরোরার (Vaibhav Arora) কাঁধে। ব্যাটন সামলাতে পারবেন তো? বরাবর ‘সেকেন্ড ফিডল’-এর কপাল যাঁর আজ সেই পেসার হয়ে উঠেছেন নাইটদের সেনাপতি।

লাল কার্পেটে মোড়া অভিজাত সুখী পৃথিবী কোনদিনই বৈভবের ভাগ্যে লেখা ছিল না। বরং ঘাত-প্রতিঘাতের জোয়াল টেনেই এগনোই যেন তাঁর নিয়তি। আর শৈশবের বন্ধু অর্শদীপ (Arshdeep Singh) আজ বিশ্বজয়ী।অদৃষ্টের কষাঘাত বারবার সহ্য করতে-করতে ক্লান্ত লাগে না? মলিন হাসি আর আড়াল করার চেষ্টা সরিয়ে অকপটে বৈভব ভাবছেন তার আগামী লক্ষ্যের কথা। হর্ষিত – আকাশদীপহীন নাইট বাহিনীতে বৈভব যেন রাতারাতি ‘লিডার অফ দ্য প্যাক’! তিনি অবশ্য নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। সোনালী বেগুনি জার্সির ভার বলা সহজ নয়। ইডেনের মাটিতে যখন বল হাতে দৌড়োবেন তিনি, গোটা স্টেডিয়াম ধ্বনিত হবে “করব লড়ব জিতব রে” সুরে। খুব স্বাভাবিকভাবেই যথেষ্ট উত্তেজিত সব প্লেয়াররা। এটা কি কোথাও বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে? চোয়ালচাপা সংকল্পের ছোঁয়া মেশানো গলায় বৈভবের উত্তর, “আমি চাপ হিসেবে এটাকে দেখি না। বরং অ্যাডভান্টেজ বলতে পারেন। দলের বোলিংকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পায় ক’জন? আমার কাছে এটা একটা চ্যালেঞ্জ। যার মহড়া নিতে আমি প্রস্তুত।’’

–

–

–

–

–

–

–

–

