হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলেও আমেরিকার কোনও ক্ষতি হবে না। জোর গলায় জানিয়েছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। তা সত্ত্বেও চলতি সপ্তাহে ফের বাড়ল অপরিশোধিত তেলের (crude oil) দাম। এমনকি আগামী সপ্তাহে নতুন মাস শুরু হলে সেই দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর আশঙ্কা প্রকাশ করা হল। ২০২২ সালের পর প্রথমবার ব্যারেল প্রতি ১১৯ ডলার পৌঁছাবে জ্বালানি তেল (fuel), আশঙ্কা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের।

ইতিমধ্যেই বিশ্ব বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের (Brent crude oil) দাম ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়েছে। সোমবার বাজার খুলতেই অনেক জায়গায় সেই দাম ১১৪ ডলারে পৌঁছে যায়। তবে এখানেই শেষ নয়, আশঙ্কা প্রকাশ গোল্ডম্যান স্যাচের (Goldman Sachs)।

রবিবার পর্যন্ত ইরানকে (Iran) সময় দিয়েছিল আমেরিকা হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তেমন নির্দেশ যে ইরান মানছে না তা সোমবার সকালেই প্রমাণিত। ফলে হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে যুদ্ধের মেঘ সোমবার থেকে ঘনাতে পারে। ফলে এই প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ৫ শতাংশে নেমে দাঁড়াবে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন তেল উৎপাদক সংস্থাগুলি আমেরিকার উপরই চাপ বাড়ানোর পথে হাঁটছে। যুদ্ধের বিরোধিতায় মার্কিন জোটের বিরোধিতা তেলের দাম (crude oil price) বাড়িয়েই তারা করছে। তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন।

সেই জায়গা থেকেই ১ এপ্রিল থেকে বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেলের (crude oil) দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর আশঙ্কা গোল্ডম্যান স্যাচের (Goldman Sachs)। পৌঁছাতে পারে ১১৯ ডলার প্রতি ব্যারেলে। সোমবার সকালেই দাম বাড়ার কারণে গোটা এশিয়ার শেয়ার বাজার জোর ধাক্কা খেয়েছে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই। এপ্রিলের আশঙ্কা সত্যি হলে সবথেকে খারাপ প্রভাব যে এশিয়াতেই পড়বে তা বলা বাহুল্য।

আরও পড়ুন : মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার জেরে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, রেকর্ড পতন টাকার দামে

ইতিমধ্যেই সেই প্রভাব পড়াও যে শুরু হয়ে গিয়েছে তার উদাহরণ ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। রবিবারই তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা শ্রীলঙ্কা (Srilanka)। সব রকম জ্বালানি তেলের দাম ২৫ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা করা হল। অন্যদিকে পাকিস্তান (Pakistan) পেট্রোলের দাম বাড়ালো ২০০ টাকা করে। সেখানে অক্টেন পেট্রোলের দাম ১০৫.৩৭ থেকে বেড়ে দাঁড়ালো ৩০৫.৩৭ টাকা।

–

–

–

–
