সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নির্বাচন কমিশন যে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে ধোঁয়াশার শেষ নেই। পরিশেষে হয়রান শুধুই বাংলার মানুষ। আদতে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) যে দেশের শীর্ষ আদালতকেও মানে না, তার প্রতিবাদে সরব দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ (Desh Banchao Gano Mancho)। বুধবার ডোরিনা ক্রসিংয়ে (Dorina Crossing) অবস্থান বিক্ষোভ করেন সদস্যরা। সেই সঙ্গে তুলে ধরেন, এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে পর্যায়ক্রমে কীভাবে গণতন্ত্র বিরোধী কাজ করছে কমিশন তা আলোচনা, গান, কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরেন।

সোমবার মধ্যরাতে অনেক টালবাহানার পরে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা (supplementary voter list) প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। অথচ অন্তত ১৫ দিন আগে সুপ্রিম কোর্ট সেই তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল। কীভাবে সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) অমান্য করছে কমিশন, তা তুলে ধরা হয় বুধবার ডোরিনা ক্রসিংয়ের প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে। কীভাবে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির (logical discrepancy) মতো শব্দ ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার কাজ চালাচ্ছে কমিশন, সেই তথ্যও তুলে ধরা হয়। প্রশ্ন তোলা হয়, ভোটারদের মানসিক অবসাদ, চিন্তা কে দূর করবে? কেন লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির নামে হেনস্তা করা হচ্ছে বাংলার মানুষকে? কেন দিল্লি বাংলাকে উপনিবেশিক শাসনের গণ্ডিতে এনে ফেলতে চাইছে?

আরও পড়ুন : গোলোকধাঁধা সাপ্লিমেন্টারি তালিকা: ডিলিটেড তো বটেই, কমিশন জানেই না কত নাম আপলোড হয়েছে

বুধবার প্রতিবাদী কথা, গান, কবিতায় দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ ধিক্কার জানায় নির্বাচন কমিশনকে। উপস্থিত ছিলেন মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়, এলফিনা মুখোপাধ্যায়, হরনাথ চক্রবর্তী, অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়, ময়না বন্দ্যোপাধ্যায়, সোনামণি সাহা, সৈকত মিত্র, রাহুল চক্রবর্তী, সুতপা বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশিক ভট্টাচার্য, শ্রীতমা ভট্টাচার্য, বর্ণালি মুখোপাধ্যায়, সুমন ভট্টাচার্য, সুশান রায়, সিদ্ধব্রত দাস, নাজমুল হক, অমিত কালি, সুদেষ্ণা রায়, শামিম আহমেদ, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, পূর্ণেন্দু বসু।

–

–

–

–

–

–
