২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর আগে রাজ্যজুড়ে প্রচারে নয়া নয়া কৌশল নজর কাড়ছে। এই তালিকায় নাম জুড়ল কেশিয়াড়ি কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী (TMC candidate Ramjiban Mandi) রামজীবন মান্ডি। প্রচারের চেনা ছক ভেঙে তিনি বেছে নিলেন ‘ফিটনেস ক্যাম্পেন’। গাড়ি বা মিছিলের বদলে জগিং পোশাকে প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার দৌড়ে পৌঁছে গেলেন দাঁতনের ঘোলাই মাঠে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভায়।

বুধবার সকাল ৭টা নাগাদ দাঁতন ১ নম্বর ব্লকের মনোহরপুর থেকে দৌড় শুরু করেন ৫৫ বছর বয়সী এই প্রার্থী। পেশায় শিক্ষক রামজীবন দীর্ঘদিন ধরেই খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি একটি দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতাকেই তিনি এবার নির্বাচনী প্রচারের হাতিয়ার করেছেন। তাঁর কথায়, এতে যেমন শরীরচর্চা হল, তেমনই পথ চলতে চলতে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগও মিলল। এই কেন্দ্রে তৃণমূল দু’বারের বিধায়ক পরেশ মুর্মুকে সরিয়ে রামজীবন মান্ডিকে প্রার্থী করেছে। ফলে তাঁর এই ব্যতিক্রমী প্রচার কতটা ভোটে প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই জেলাজুড়ে আলোচনা তুঙ্গে। আরও পড়ুন: আরামবাগ সরকারি হাসপাতালে ৩৪ ডাক্তারকে ভোটার ডিউটি! বেনজির নির্দেশ কমিশনের

একই দিনে জেলার রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও বাড়াতে কর্মসূচি রেখেছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরও। নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ায় সভা করবেন তিনি। অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের ঘোলপুকুরে কর্মিসভা রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এর আগেও বিভিন্ন প্রার্থীর অভিনব প্রচার নজরে এসেছে। বলাগড়ের তৃণমূল প্রার্থী রঞ্জন ধাড়াকে কখনও রান্না করতে দেখা গিয়েছে, আবার আরামবাগ-এর প্রার্থী মিতা বাগকে ঘুঁটে শুকোতে সাহায্য করতে দেখা গেছে। কোথাও আবার ভোটারকে কোলে তুলে নাচ, কোথাও খেলাধুলায় অংশগ্রহণ—সব মিলিয়ে জনসংযোগে নতুনত্ব আনতেই মরিয়া প্রার্থীরা। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোট যত এগোচ্ছে, ততই প্রচারের ধরনে বদল স্পষ্ট। মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ গড়ে তুলতেই এই ধরনের অভিনব উদ্যোগ নিচ্ছেন প্রার্থীরা।

–

–

–

–

–

–

–
