কখনও মধ্যরাতে আবার কখনও কাউকে কিছু না জানিয়ে, কোন বিজ্ঞপ্তি বা ঘোষণা ছাড়াই সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট (Supplementary List) প্রকাশ করছে কমিশন। এত লুকোচুরি কেন, প্রশ্ন করছে সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক দল। রবিবার পর্যন্ত জানা গেছিল চারটি সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে খবর, সোমবার রাতের মধ্যেই নাকি আরও দুটি তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।। যদিও কত নাম বাদ গেল তা নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটছে না। নির্বাচন কমিশন (ECI )সূত্রে খবর ষষ্ঠ তালিকায় নাকি তিন লক্ষ ভোটারের নাম রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় (Final Voter list) তিনটি ক্যাটাগরি ছিল। মীমাংসিত (বৈধ ভোটারদের তালিকা), বিবেচনাধীন (Adjudication) ও ডিলিটেড। সুপ্রিম নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) তত্ত্বাবধানে ধাপে ধাপে অ্যাডজুডিকেশন নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। ২৩ মার্চ মধ্যরাতে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হয়। তারপর ২৭ মার্চ দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করা হয় গভীর রাতে। বলা হয়েছিল এরপর থেকে প্রতিদিনই তালিকা প্রকাশ। কিন্তু গোটা বিষয়টা এতটাই নিঃশব্দে করছে কমিশন যে কার নাম থাকছে কার বাদ যাচ্ছে তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন ভোটাররা। বেশিরভাগ সময় কমিশনের ওয়েবসাইট কাজ করছে না। পঞ্চম তালিকা প্রকাশের পর তারই অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর এখনও পর্যন্ত ৪২ লক্ষের নিষ্পত্তি হয়েছে। খসড়া তালিকা থেকে ধরলে এখনও পর্যন্ত ৮১ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। তবে নির্দিষ্ট করে সংখ্যাটা কিছুতেই জানানো হচ্ছে না। কমিশনের উপর ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের। মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভের খবর মিলেছে।। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সোমবার সন্ধ্যায় মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের দফতরে গিয়ে বাইরে থেকে ভোটার বাংলায় প্রবেশের চেষ্টা করানো হচ্ছে বলে নিজে অভিযোগ তুলেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দাবি,ফর্ম-৬-কে কাজে লাগিয়ে বাংলায় বিহার-উত্তরপ্রদেশ থেকে লোক ঢোকাচ্ছে বিজেপি। এইভাবেই আগে মহারাষ্ট্র -হরিয়ানা-দিল্লির মতো রাজ্য তারা দখল করেছে, আর এবার বাংলাও একই পন্থা অবলম্বন করতে চাইছে।

–

–

–

–

–

–

–

–
