ফের কপালে ভাঁজ সাধারণ মানুষের। বাড়তে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয়, অত্যাবশ্যকীয়, জরুরি ও জীবনদায়ী ওষুধের দাম। ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি ২০২৫-এর পাইকারি মূল্য সূচক বা হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স (WPI)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো মূল্য বা ম্যাক্সিমাম রিটেল প্রাইস (MRP) ০.৬৫% পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার থেকে প্রায় ৯০০ ফরমুলেশনের ওষুধের দাম বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। সোমবার এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এনপিপিএ (NPPA)। অতএব এবার থেকে ওষুধ উৎপাদক সংস্থাগুলির আলাদা করে সরকারের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বাজারে ওষুধের দাম বৃদ্ধি এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

এই বিষয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছে দেশজুড়েই এর প্রভাব মারাত্মকভাবে পড়তে চলেছে। পেইনকিলার, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টাসিড, ডায়াবিটিস থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের ওষুধের দাম বাড়তে পারে। স্বাভাবিকভাবেই মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের চিকিৎসা খরচ যে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে সন্দেহ নেই।এমতাবস্থায় বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে অত্যাবশ্যকীয় ও জীবনদায়ী ওষুধে যে সব ছাড় থাকা উচিত সেগুলোও নেই। এর উপর মূল্যবৃদ্ধিতে নিষেধাজ্ঞা থাকছে না সরকারের। কেন্দ্র যে রোগীদের চেয়ে ওষুধ উৎপাদক সংস্থার লাভ নিয়ে বেশি চিন্তিত সেই বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। এমন এক স্বেচ্ছাচারী সরকারি সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ। ওষুধের দামে ১%-এর কম বৃদ্ধিকে সরকার এর তরফে ‘স্বাভাবিক’ মনে করা হলেও রোগীদের উপর সেটা বাড়তি বোঝা চেপে যাচ্ছে। এর ফলে পাইকারি ও খুচরো বিক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাছাড়া ভোগান্তি পোহাতে হবে রোগীদেরও।

–

–

–

–

–

–

–
–
