রাজ্য বিধানসভা ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) আবহে মালদহের কালিয়াচকে বিক্ষোভের (Maldah Kaliachak Incident) ঘটনায় উস্কানির অভিযোগে আটক মিম নেতা – আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলাম। শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর (Bagdogra Airport) থেকে তাঁকে আটক করে সিআইডি (CID)। তিনি বেঙ্গালুরু পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন সকাল দশটা নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করে এডিজি উত্তরবঙ্গ জানান, ধৃত তিন জায়গাতে উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখছিলেন। সিআইডি ও শিলিগুড়ি পুলিশ তাঁকে ও তাঁর সহযোগী আকরামুল বাগানিকে প্রাথমিকভাবে আটক করে। গ্রেফতার করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। মোথাবাড়ি কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, সবমিলিয়ে ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


এসআইআরের (SIR) নামে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে গত বুধবার যেভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদহ, সেই অশান্তির তদন্তে এনআইএকে দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম (Supreme Court) নির্দেশে আজ ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহের পর এফআইআর করবে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তার আগে এদিন সকালে প্রথমে আটক ও পরে গ্রেফতার করা হল ইটাহারের বাসিন্দা আইনজীবী মোফাক্কেরুলকে। দীর্ঘদিন কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করেছেন তিনি। ২০২১ সালে রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত হয়ে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারে মিম প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁকে বিভিন্ন সভায় রাজনৈতিক বক্তব্য রাখতে দেখা যায়। কালিয়াচকে তাঁর প্ররোচনামূলক মন্তব্যের কারণেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে প্রাথমিক অভিযোগ। যেভাবে মালদহে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি ৭ বিচারককে মধ্যরাত পর্যন্ত আটকে রাখা হয় সেই ঘটনার কড়া নিন্দা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন কমিশন কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ।আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট জমা দিতে হবে এনআইএ-কে। ইতিমধ্যেই বিচারক ঘেরাও-কাণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (ECI)। বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যজুড়ে জমায়েতের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

–

–

–

–

–

–

–
–

