ন্যাক্কারজনক ঘটনা বিজেপির(BJP) ওড়িশায় ( Odisha)। গেরুয়া রাজ্যে নারী নির্যাতন, আদিবাসী অত্যাচার, জোর করে জমিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া নতুন কোন ঘটনা একেবারেই নয় এবার ঢেনকানাল জেলায় এক দলিত ব্যক্তিকে জোর করে গোবর খেতে বাধ্য করা এবং লাঞ্ছিত করার একটি ভিডিও ঘিরে নিন্দার ঝড় উঠেছে দেশ জুড়ে। বজরং দলের সদস্যরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

এরপরেই নিজেদের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ভিডিও পোস্ট করে সরব হয় তৃণমূল কংগ্রেস। লেখা হয়েছে, ” আদিবাসী লাঞ্ছনা থেকে জনবিরোধী রাজনীতি, বিজেপির আসল চরিত্র আজ বাংলার সামনে পরিষ্কার।”

সম্প্রতি ওড়িশার ( Odisha) ঢেনকানাল জেলার পরজং গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। বজরং বিহারী নায়েক নামের এই দলিত যুবক তাঁর পরিবার ও আরও কয়েকজনের সঙ্গে পরজং গ্রামের একটি বাড়িতে আয়োজিত এক প্রার্থনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। বাইরে থেকে প্রায় ৪০ জনের দল জোর করে বিপিন বিহারী নায়েকের বাড়িতে ঢুকে যায় এবং টেনে হিঁচড়ে তাঁকে বের করে আনা হয়। বাড়ির ভেতরে থাকা সবাইকে মারধর করতে শুরু করে তাঁরা। আরও সাতটি পরিবার সেদিন সেখানে উপস্থিত ছিল। এই ব্যক্তির স্ত্রী কোনমতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে থানায় খবর দেন।

জানা গিয়েছে, গ্রামের একটি হনুমান মন্দিরে তাঁকে বেঁধে রাখা হয়েছিল আর তারপরেই জোর করে গোবর খাওয়ানো হচ্ছিল। তাঁর শরীর থেকে প্রবল রক্তক্ষরণ হওয়া সত্ত্বেও ওই দলের লোকজন তাঁকে নৃশংস অত্যাচার করেই চলেছিল এবং ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দিতে বাধ্য করছিল। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ওই ব্যক্তিকে রাস্তাতে গোবর খেতে বাধ্য করা হয়েছিল। অভিযোগ ঘটনার সময় তাঁকে জোর করে ‘বজরং আমাদের পিতা এবং গরু আমাদের মাতা’—এই স্লোগানও দেওয়ানো হয়েছিল। এই ঘটনার পর আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল বিজেপি সরকার আদিবাসীদের সুরক্ষা দিতে একেবারেই ব্যর্থ। বেপরোয়া গুন্ডারাজ ও বারংবার লজ্জাজনক ঘটনার পর প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় সুরক্ষা নীতি।

–

–

–

–

