গোটা দেশে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচন চলছে। সেই সময়ে চুপি চুপি ফের সংসদে তিন বিল নিয়ে আসছে স্বৈরাচারী মোদি সরকার। তার মধ্যে মহিলা সংরক্ষণ বিলের নামে সংবিধানকেই সংশোধন করার অপচেষ্টা চালানো শুরু হবে বৃহস্পতিবার থেকে। তিন দিনের অধিবেশনে যেভাবে ডিলিমিটেশন বিল (Delimitation bill) পাশ করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপির মোদি সরকার, এবার বিরোধী দলগুলি একজোট হয়ে তার বিরোধিতা শুরু করবেন বিরোধী সাংসদরা। তারই রূপরেখা তৈরি করতে বুধবার বৈঠকে করে ইন্ডিয়া জোটের (I.N.D.I.A.) সদস্য দলগুলির সাংসদরা। তৃণমূলের তরফে যোগ দেন সাংসদ সাগরিকা ঘোষ (Sagarika Ghose)।

বাংলায় ভোট প্রচারে এসে নরেন্দ্র মোদি বড় গলায় ঘোষণা করে গিয়েছেন মহিলা সংরক্ষণ বিল (women reservation bill) আনবেন সংসদে। আদতে যে বিল কেন্দ্রের সরকার আনার কথা বলছে, তা যে ২০২৩ সালেই এসেছিল, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হল বিরোধী জোটের তরফে। সেই বিলেই এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষণের কথা ছিল। অথচ ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগেও সেই বিলকে আইনে পরিণত করে কার্যকর করা হয়নি। এবার রাতারাতি নতুন বিল এনে কার্যকর করার জন্য একেবারে সংসদে আসন সংখ্যা বাড়াচ্ছে বিজেপি সরকার। যার জন্য সংবিধান সংশোধনের পথে যাচ্ছে বিজেপি সরকার।

বৃহস্পতিবার সংসদে এই বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হলে বিরোধী জোটের সংসদরা প্রতিবাদের পথেই যাবেন জানানো হয় বুধবারের বৈঠকের পরে। সেক্ষেত্রে ২০২৩ সালের মহিলা সংরক্ষণ বিলের (women reservation bill) পক্ষে সওয়াল করবেন বিরোধী সংসদরা। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই যেন সেই বিল কার্যকর হয়, তার দাবি জানানো হবে। সেই সঙ্গে যে পথে ডিলিমিটেশনের পথে হাঁটছে কেন্দ্রের স্বৈরাচারী সরকার তার প্রবল বিরোধিতার পথে যাবেন সাংসদরা।


বিরোধী জোটের তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক লোকসভার আসন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর কথা বলেছে। যা রাজ্যগুলিতে সমানুপাতিক হারে বাড়বে। কিন্তু তা তাদের প্রস্তাবিত বিলে উল্লেখ করা হয়নি। এখানেই গভীর ষড়যন্ত্র দেখছে বিরোধী জোট। একটি স্বৈরাচারী পথে ডিলিমিটেশন করে রাজ্যগুলির অধিকার খর্ব করে সংসদের আসন ৮৫০ করার পথে হাঁটছে বিজেপি সরকার। এমনটাই অভিযোগ তোলা হয় বুধবারের বৈঠক থেকে।

–

–

–
–
–

