৩৫টি ময়ূরের মৃত্যু কর্নাটকে (Karnatak)। একসঙ্গে কীভাবে এত ময়ূরের মৃত্যু তার নিয়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। ময়ূরের মৃত্যুর কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। বনদফতরের আধিকারিকরা মনে করছেন, তীব্র দাবদাহ এবং পানীয় জলের অভাবেই একের পর এক ময়ূরের (Peacock) মৃত্যু।

কর্নাটকের টুমাকুরুর গ্রামে ৭ দিনের ব্যবধানে প্রায় ৩৫টি ময়ূর মারা গিয়েছে। এর মধ্যে উর্দিগেরে হোবলির বোম্মনাহাল্লি ও কোলিহাল্লি গ্রাম এবং গুলুর হোবলির বাইরাসান্দ্রা ও হুল্লেনাহাল্লি গ্রামের খামারগুলিতে ১১টি জাতীয় পাখিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। গত কয়েক দিনে কর্ণাটকের একাধিক এলাকায় তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়।
ইতিমধ্যেই ওই এলাকা পরিদর্শন করেছে বন দফতরের আধিকারিকরা। প্রাথমিকভাবে তাঁদের অনুমান, তীব্র তাপ ও জলশূন্যতা এই মৃত্যুর কারণ। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করার জন্য নমুনা বেঙ্গালুরুতে পাঠানো হয়েছে। বিষক্রিয়া কারণে এতগুলি পাখির মৃত্যু হয়েছে কি না তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

গত বছরের অগাস্ট মাসে টুমাকুরুর একটি জলাশয়ের কাছে প্রায় ২০টি ময়ূরকে (Peacock) মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পোকার আক্রমণ এড়ানোর জন্য ছড়ানো কীটনাশকযুক্ত বীজ খেয়ে ফেলার পর ওই ময়ূরগুলির মৃত্যু হয়েছিল।

–

–

–

–
–
–
