বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে পুলিশ প্রশাসনে বড়সড় রদবদল প্রায় প্রতিদিনই চলছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে কমিশনের সবথেকে বড় টার্গেট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুর। সেখানে বহিরাগত (outsider) ঢুকলেও দেখছে না পুলিশ প্রশাসন, রবিবার ভবানীপুরে (Bhawanipur) নির্বাচনী জনসভায় অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। তবে শুধু তাঁর নিজের কেন্দ্র নয়, কলকাতার আরও যেসব জায়গায় বহিরাগত প্রবেশ হচ্ছে, তা নিয়ে সরব তৃণমূল নেত্রী।


বহিরাগত প্রবেশ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হুঁশিয়ারি, বাইরে থেকে লোক নিয়ে আসছে। বাস ঢুকিয়েছিল ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে। এই আউটসাইডারদের (outsider) একজনকেও যেন দেখতে না পাই। এটা প্রশাসনের দায়িত্ব। আজকেও বেহালায় গুলি চালিয়েছে। গুন্ডামি করেছে। কারণ, পুলিশও ছেড়ে দিয়েছে। ওরা অন্য রাজ্য দিয়ে ঢুকে গিয়েছে। এরপর পুলিশও বুঝবে যে, কী ভুল করলাম! নাকা চেকিং করলাম না। বন্দুক ঢোকালাম। ড্রাগ ঢোকালাম। আজকে আপনাদের ভয় দেখাচ্ছে, আপনারা চমকাচ্ছেন। যে দোষ করল আর যে দোষ করল না, দু’জনে এক হয়ে গেল? কেন অ্যালাও করলেন বন্দুক।


তৃণমূলনেত্রী এদিন আরও জানান, ওয়াকফ সম্পত্তি আমরা জবরদখল করতে দেব না। মোটাভাই ওয়াকফ দখল করার জন্য খুব চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আমাদের মুসলিম বোনেরা এতটাই লড়াই করেছে যে, ওরা পিছু হটেছে। এখন এই বিষয়টা ইমামদের হাতে রয়েছে। অনেকেই আপনাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে। কিন্তু মনে রাখবেন ওয়াকফ সম্পত্তিতে অনেক হিন্দুও রয়েছেন। সামাজিক উন্নয়নের কাজের জন্য অনেক মুসলিম ওয়াকফ সম্পত্তি হিন্দুদের দান করে।

আরও পড়ুন : কম্বলে মুড়ে অপরাধীদের আনছে কেন্দ্রীয় বাহিনী: EVM লুটের নতুন ষড়যন্ত্র ফাঁস মমতার


রবিবার জনসভার পাশাপাশি ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে মমতা পদযাত্রা করেন ল্যান্সডাউন থেকে কালীঘাট ফায়ার স্টেশন পর্যন্ত। জাতি-ধর্ম-বর্ণের প্রাচীর ভেঙে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সম্প্রীতির বাংলার ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে মানুষ ঐক্যবদ্ধ। আবার ক্যামাক স্ট্রিটের দুটি সোসাইটি-সহ ভবানীপুর এলাকার বিভিন্ন হাই-রাইজ সোসাইটির মানুষদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সেই সব মানুষের অভূতপূর্ব উৎসাহ এবং অকৃত্রিম ভালোবাসায় আপ্লুত তৃণমূল নেত্রী।

–

