দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের আগে জোরালো আলোচনায় অসম। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার ঘৃণা ভাষণের জেরে বাংলাদেশের কাছে মুখ পুড়েছে ভারতের। এই পরিস্থিতিতে যে মেরুকরণের চেষ্টা বিজেপি অসমে (Assam) চালিয়েছে, তার প্রভাব ভোটে আদতে কতটা পড়েছে, তা প্রমাণিত হবে সোমবার। যদিও অসমের প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেস বিধানসভা নির্বাচনে (assembly election) আগে যেভাবে ভাঙনের মুখে পড়েছে, তাতে কংগ্রেস অসমে বিজেপির জোটকে আদৌ কতটা বিপাকে ফেলতে পারবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সেক্ষেত্রে যে ২২ আসনে তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) প্রার্থী দিয়েছে, সেখানে বড় ফ্যাক্টর হতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস, অনুমান বিশ্লেষকদের।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুধুমাত্র অসম নয়, নিজের ঘৃণাভাষণে বিভেদ তৈরি করতে বাংলাতেও বারবার এসেছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ম্যাজিক ফিগার (magic figure) ৬৪ একা ছুঁতে পারেনি। তবে এনডিএ (NDA) জোট হিসাবে ৭৫ আসন জিতে ক্ষমতায় আসে তারা। তবে কংগ্রেসের সঙ্গে ভোট শতাংশের পার্থক্য ৪ শতাংশের আশেপাশে ছিল।
তবে এবারের নির্বাচনে বিজেপি আগের থেকে বেশি আঞ্চলিক দলের উপর নির্ভর করছে। গত বিধানসভায় ৯৩ আসনে প্রার্থী দেওয়া বিজেপি এবার ৮৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ১২৬ বিধানসভার মধ্যে বাকি আসনগুলিতে অসম গণ পরিষদ ও বিপিএফ প্রার্থী দিয়েছে। ২৬ আসনে লড়ছে অসম গণ পরিষদ।

আরও পড়ুন : দিদি আছেন, দিদিই থাকবেন: মমতাকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে বিজেপি-কমিশনকে খোঁচা অখিলেশের

কংগ্রেস জোট সদস্যদের ১৫টি আসন ছেড়ে বাকি আসনে লড়ছে। গৌরব গোগোই নিজে দুটি কেন্দ্র থেকে লড়ছেন। হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM) কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে লড়ছে। তবে তৃণমূল কংগ্রেস এবার ২২ আসনে একাই লড়ছে। ফলে সেই আসনগুলিতে বিজেপি-বিরোধী ভোটে প্রভাব ফেলবে তৃণমূল। সেই সঙ্গে বিজেপির প্রবল জাতিবিদ্বেষের বিরোধিতায় তৃণমূলের প্রচার নজর কেড়েছিল। তৃণমূল (AITC) সাংসদ সুস্মিতা দেব (Sushmita Dev) দাবি করেন, লোকসভা নির্বাচনের পরে পঞ্চায়েত নির্বাচনেও তৃণমূলের ভোট বেড়েছিল। সেক্ষেত্রে বিধানসভা নির্বাচনেও তৃণমূল ভালো ফল করবে, আশাবাদী সাংসদ।

–

–

–
–
–
