দেশের গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের গণনা সোমবার। একদিকে দক্ষিণের গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য কেরালম ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনে যেমন গোটা দেশের নজর। অন্যদিকে বাংলার নির্বাচনের ফলাফলের উপর বিরোধী প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নজর। সেখানেই দেখা যাচ্ছে প্রথম থেকে বাংলার নির্বাচনে গণনা ধীরে করিয়ে পিছনে কারচুপির অভিযোগে অভিযুক্ত নির্বাচন কমিশন (ECI)। অন্য সব রাজ্যে যে গতিতে প্রথম দুঘণ্টা ভোট গণনা হল, তার ধারে কাছে গেল না বাংলার ভোট গণনা।

প্রথম দুঘণ্টায় অসমের ১২৬ আসনের মধ্যে ১০৯টি আসনে ট্রেন্ড দেখিয়ে দিতে পারল নির্বাচন কমিশন। সেখানে স্পষ্ট দেখিয়ে দেওয়া হল বিজেপি বিপুল গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফের আসতে চলছে। অসমে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা দেখেই সাত তাড়াতাড়ি ভোটের ট্রেন্ড (trend) দেখাতে ব্যস্ত নির্বাচন কমিশন। আবার কেরালমের (Keralam) ১৪০ আসনের মধ্যে প্রথম দুঘণ্টায় ১৩৭ আসনের ট্রেন্ড দেখিয়ে দিল কমিশন। যেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই কংগ্রেস ও বাম জোটের মধ্যে। কংগ্রেস (Congress) যেখানে ৫৫ আসনে এগিয়ে বাম (Left) জোটের দখলে ৪৭ আসনের কাছাকাছি।
তামিলনাড়ুতে ভোট গণনায় বিজেপি প্রায় নিশ্চিহ্ন। দুঘণ্টার শেষে একটি আসনে মাত্র ৮৩ ভোটে এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত বিজেপির। তাই সেখানেও গণনা কিছুটা হলেও ধীরে। ২৩৪ আসনের মধ্যে দুঘণ্টায় ১৭৮ আসনের বেশি ট্রেন্ড দেখাতে পারেনি কমিশন। আবার সেখানে দেখানো হয়েছে থালাপতি বিজয়ের নবগঠিত দল টিভিকে-র বিপুল আসনে এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত। দুঘণ্টার শেষে টিভিকে (TVK) এগিয়ে ৭৯ আসনে। ডিএমকে (DMK) ৩০ ও এআইএডিএমকে (AIDMK) ৫৫ আসনে এগিয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন : আজ অসম-তামিলনাড়ু-কেরল-পুদুচেরিতে ভোটগণনা

তবে সব থেকে কম ট্রেন্ড নির্বাচন কমিশন দেখাতে পেরেছে বাংলায়। যেখানে সবথেকে বেশি আসনে ভোট গণনা চলছে, ২৯৩। সেখানে দুঘণ্টার শেষে কমিশনের (ECI) হিসাবে ট্রেন্ড (trend) প্রকাশিত হয়েছে মাত্র ৭৮ টির, অর্ধেকেরও অনেক কম। সেখানে দেখানো হচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি ৪৫ আসনে এগিয়ে। তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) ৩৩ আসনে এগিয়ে। সাধারণভাবে সংবাদ মাধ্যমের ট্রেন্ডে যেখানে কংগ্রেসের অন্তত দুটি আসনে এগিয়ে থাকার ট্রেন্ড দেখা গিয়েছে, সেখানে কংগ্রেসকে একটিও আসনে এগিয়ে থাকা দেখাতে পারেনি কমিশন। আবার হুমায়ুন কবীরের দল এজেইউপি-কে একটি আসনে এগিয়ে দেখানো হয়েছে।

–

–

–
–
–
