নতুন করে সংগঠনকে সাজিয়ে তুলছেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পথে একগুচ্ছ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। শনিবার নেত্রীর বাসভবনে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক বসে। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় এই কমিটিতে বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সৌগত রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কুণাল ঘোষ। তাঁরা বলেন, উত্তর কলকাতার তৃণমূলের সভাপতি হয়েছেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হয়েছেন ইটাহারের বিধায়ক মোশারফ হোসেন। তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হল অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

জানা গিয়েছে, দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠন এবং বেশ কিছু জেলার সভাপতির নামও দ্রুত ঠিক করে দেওয়া হবে। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, যারা চলে গিয়েছে তাদের নিয়ে আলোচনার কোনও অবকাশ নেই। তারা লোভ ও ভয়ের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। দলের শক্তি কাউন্সিলর ও বিধায়কদের উপর নির্ভরশীল নয়। নীচুতলার কর্মীরাই দলের আসল শক্তি। এদিনের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, কুণাল ঘোষ।

আরও পড়ুন- স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক! রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর

_

_

_

_

_
_
_
_
