৪ ঘণ্টার পরে বাংলায় ট্রেন্ড দেখাচ্ছে পাল্লা ভারী বিজেপির দিকে। উত্তরের জেলাগুলির তুলনায় দক্ষিণের জেলাতে তৃণমূলের পরিস্থিতি ভালো। তবে, ১২টার পরেও ৪১টি আসনে কোনও ট্রেন্ড দেখাতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। স্লো কাউন্টিং নিয়ে ইতিমধ্যেই অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও মহুয়া সাংসদ। কোথাও কোথায় ভোট গণনা শুরু হয়েছে অনেক দেরিতে।

উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রের মধ্যে প্রথমেই আসে ভবানীপুর। সেখানে ৫ রাউন্ডের শেষে ১৬৭০৬-এর বেশি ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে, দিকে দিকে তৃণমূলের তরফ থেকে স্লো কাউন্টিং এবং ট্রেন্ড না দেখানোর অভিযোগ করা হচ্ছে। সাগরিকা ঘোষ (Sagarika Ghosh) লেখেন,
“বাংলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচন কমিশন কেন বাংলার ২৯৩টি আসনের সবগুলোর প্রবণতা প্রকাশ করছেন না? নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে ৭০টিরও বেশি আসনের প্রবণতা দেখায়নি। অনুগ্রহ করে অবিলম্বে ২৯৩টি আসনের তথ্য প্রকাশ করুন।“
IMPORTANT ON BENGAL. WHY IS @ECISVEEP NOT RELEASING TRENDS FOR ALL 293 Bengal seats? More than 70+ seats trends have been intentionally NOT SHOWN by EC. Please IMMEDIATELY release the data for all 293 seats.
— Sagarika Ghose (@sagarikaghose) May 4, 2026
মহুয়া মৈত্র (Mahuaa Moitra) জানান, ইচ্ছে করেই ৭০টি জায়গার ট্রেন্ড দেখানো হচ্ছে না। কারণ, তৃণমূল (TMC) কর্মীদের মনোবল ভাঙার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু তৃণমূলের কর্মীরা একজোট হয়ে আছে। এই কথা আগেও বলেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কর্মীদের একজোট হয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকা বার্তা দিয়েছেন মমতা।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ২৯৪ আসনে ভোটগ্রহণ হয় ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায়। কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়মভঙ্গের অভিযোগে সব বুথে ভোট বাতিল করে দিয়েছে কমিশন। ওই কেন্দ্রে ফের ভোট হবে ২১ মে। গণনা হবে ২৪ মে। এদিন ফলতা বাদে বাকি কেন্দ্রগুলির ভোটগণনা।

তবে, বিজেপির এগিয়ে যাওয়ার ট্রেন্ড বজায় থাকবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না বলেই মত ভোট-বিশেষজ্ঞদের। কারণ, সূত্রের খবর সেই সব বুথই আগে গোনা হচ্ছে, যেগুলিতে বিজেপির এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা বেশি। তৃণমূল শিবিরের মনোবল ভাঙার জন্যেই নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে এই ট্রেন্ড দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগে রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

–

–

–
–
–
–
