নির্বাচনের ফল এখনও প্রকাশ পায়নি। তার আগে কয়েকটি আসনের এগিয়ে থাকার খবর আসতেই তাণ্ডব শুরু বিজেপির (BJP)। জেলায় জেলায় তৃণমূল কার্যালয়ে হামলা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়ির সামনে আধাসেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ভোটগণনায় এগিয়ে থাকার প্রবণতা দেখা দিতেই দাদাগিরি শুরু বিজেপির। বাঁকুড়ার কোতুলপুরে তৃণমূল (TMC) কার্যালয়ে চালে উঠে পতাকা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। বরানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের কার্যালয় দখলের অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে।
জামালপুরে তৃণমূলের কার্যালয়ে আগুন। কাঠগড়ায় গেরুয়া শিবির। এদিকে ঘাটাল বিধানসভার মনসুকা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বরকতিপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আগুন লাগানো হয়েছে। একই পরিস্থিতি জামুড়িয়া বিধানসভার চুরুলিয়া গ্রামে। সেখানে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর হয়েছে। অভিযোগ বিজেপির দিকে। আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তৃণমূল ক্যাম্প অফিসে আগুন লাগানো হয়েছে। বারাবনিতেও তৃণমূলের ক্যাম্প অফিসে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে।

এদিকে তৃণমূলের বীজপুর, বারাকপুর, নোয়াপাড়াতে তৃণমূলের প্রার্থীরা আক্রান্ত। বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীকে গণনাকেন্দ্রের বাইরে হেনস্থা করা হয়। এমনকী, তৃণমূল প্রার্থীর গায়ে কাদা ছোড়া হয়ে বলেও অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। এই সব ঘটনার জেরে জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনারকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

মুচিপাড়াতেও তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রতিবাদে সার্ভিস রোড অবরোধ করেন বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেন্দ্রীয় বাহিনী।

–

–

–
–
–
