ভোটের ফলাফল ঘোষণার দিন থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বাচন পরবর্তী হিংসার (post poll violence) ছবি শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে। কোথাও তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) দলীয় কার্যালয় তালা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তো কোথাও আবার ভাঙচুর অগ্নিসংযোগের ছবি। বেশ কিছু জায়গায় ঘাসফুলের পার্টি অফিস দখলের অভিযোগও উঠেছে। বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের (Baruipur Assembly) সীতাকুণ্ড মোড়ে তৃণমূলের ফুলতলা পার্টি অফিসে ভাঙচুর করে নিজেদের দলের পতাকা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির পেটকুল চাঁদ এলাকায় আবার বিজেপি (BJP) -তৃণমূল সংঘর্ষের খবর মিলেছে। একাধিক জায়গায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠছে।

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিজেপি দল সরকার গঠনের আগেই বিভিন্ন জায়গায় হামলা অশান্তির অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে পদ্মদলের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, এই ধরণের ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। দল-রং নির্বিশেষে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। কিন্তু আদৌ কি তাঁর কথা মানা হচ্ছে, বাস্তব ছবিটা ঠিক কীরকম? মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে (Jiyaganj) শ্রীপত সিং কলেজের সামনে থাকা লেনিনের আবক্ষ মূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক দল যুবকের বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশের সামনেই ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে দিতে তারা রড, হাতুড়ি, শাবল দিয়ে মূর্তি ভেঙেছে। ভাঙড়ে বিজয়ী আইএসএফ-এর নেতা-কর্মীরা রাতভর তাণ্ডব করেছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।বেঁওতা ও নিমকুড়িয়া গ্রামে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো ও মহিলা-সহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। মুর্শিদাবাদের ডোমকলে আবার জয়ী বাম প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের এলাকায় ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে যুগিন্দা রথতলা পাড়ায় এক সিপিএম কর্মী শফিকুল ইসলামকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে দুস্কৃতীরা। এই মুহূর্তে তিনি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
–

–

–

–

–

–
–
