”আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ান”-বুধবার কালীঘাটে জয়ী বিধায়ক ও দলের নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠকে এই নির্দেশ দিলেন তৃণমূল (TMC) সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দলনেত্রী বলেন, যাঁরা খুন হয়েছেন, যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন, যাঁদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে- প্রতিটি দলীয় কর্মীর পাশে দাঁড়াতে হবে৷ মাথায় রাখতে হবে, বিজেপি জনতার রায়ে ক্ষমতায় আসেনি৷ ম্যানুপুলেট করে ক্ষমতায় এসেছে৷ প্রত্যেকটি পার্টিকর্মীকে মোবাইল চালু রাখতে হবে৷ হোয়াটঅ্যাপ চালু রাখতে হবে৷ ঘটনার খবর পেলেই দৌড়ে যেতে হবে৷ দ্রুত পুলিশকে জানাবেন৷ অভিযোগ না নিলে অনলাইনে অভিযোগ পাঠাবেন৷ পাশাপাশি স্পিডপোস্টে হার্ডকপি পাঠিয়ে দেবেন৷ ঘটনার ভিডিও ও ছবি তুলে রাখতে ভুলবেন না৷ বিজেপির গুন্ডারা কর্মীদের বাড়ি, পার্টি অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছে৷ চিন্তা করবেন না, দল বিষয়টা দেখছে৷ কিন্তু কোনও প্ররোচনায় পা দেবেন না।

মমতা জানান, ”তিনটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম তৈরি করা হবে৷ এই কমিটি বিজেপির অত্যাচার ও ভোট-সংক্রান্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে। এ-ছাড়াও শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি হবে। ডেরেক সেই কমিটিতে থাকবে। কারও কোনও অভিযোগ থাকলে সেই কমিটিতে জমা দিন। দলের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করা যাবে না। প্রয়োজনে দল কড়া ব্যবস্থা নেবে। যাঁরা বিজেপিতে যেতে চাইছেন, তাঁদের যেতে দিন। মাথায় রাখবেন, এঁরা নিশ্চয় দুর্নীতিগ্রস্ত অথবা অন্য দোষে দুষ্ট। তাই বাঁচতে দল বদলাতে চাইছেন। একজন গেলে ১০ জন আসবে।”
তৃণমূল সুপ্রিমো এদিন স্পষ্ট জানান, এই অনৈতিক সরকারকে মেনে নিচ্ছে না তৃণমূল। পথেই হবে জবাব৷ পঁচিশে বৈশাখ রবীন্দ্রনাথের জন্মদিনে প্রতিটি পার্টি অফিসে রবীন্দ্র সঙ্গীত বাজান৷ বাংলায় বিজেপির এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস গোটা দেশে বিরোধী জোটকে ঐক্যবদ্ধ করে দিয়েছে। এবার টার্গেট দিল্লি। দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিকে শিক্ষা দেব৷ ভোটে কারচুপি নিয়ে মামলা করব। আইনজীবী হিসেবে আদালতে লড়াই করব। বিরোধী জোটের তরফে দিল্লিতে এখনই সাংবাদিক সম্মেলন করতে বলা হয়েছিল৷ আমি ওদের বলেছি, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়া সম্ভব নয়৷ সোনিয়াজি, অখিলেশ–সহ সমস্ত বিরোধী নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছে। কয়েকদিন পরেই নিশ্চয় আমরা দিল্লির বুকে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজেপির চৌর্যবৃত্তি তুলে ধরব৷”

আরও পড়ুন – IFA U-13 Football: সোনারপুর ডায়নামিকের বিরুদ্ধে ড্র মার্লিন গ্রুপের ক্লাব প্যাভিলিয়নের

_

_

_

_
_
_
_
