বুধবার রাতে চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath) মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই শোকস্তব্ধ তাঁর পরিবার ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি নেত্রী মাফিন (Maffin)। ঘটনার মুহূর্তে চন্দ্রনাথকে মেসেজ করেন অভিনেত্রী! মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়াতে দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক। বৃহস্পতিবার বিকেলে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে চন্দ্রনাথের পৈতৃক ভিটে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে।

মাফিন জানিয়েছেন, ঘটনার মাত্র আধ ঘণ্টা আগে চন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর শেষ যোগাযোগ হয়েছিল। ব্যক্তিগত কাজে বা দলীয় সূত্রে নয়, বিজেপি অফিসে যাওয়ার বিষয়ে জানাতেই বুধবার রাতে চন্দ্রনাথকে একটি মেসেজ করেছিলেন তিনি। মাফিনের জানান, “দাদা তো বেশির ভাগ সময় নিজাম প্যালেসেই থাকতেন। অত্যন্ত ভদ্রলোক ছিলেন। আফসোস হচ্ছে, সেই মেসেজের উত্তর আর পেলাম না। এখন মনে হচ্ছে, আমি যখন মেসেজটা পাঠিয়েছিলাম, সম্ভবত সেই সময়ই ওঁর ওপর হামলা হয়েছিল।” বিজেপি নেত্রী আরও জানান, মাস দেড়েক আগে শুভেন্দুর হাত ধরে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের সূত্রেই চন্দ্রনাথের সঙ্গে আলাপ। গত নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরে মাফিনের প্রচারের যাবতীয় দায়িত্ব ও তদারকি একহাতে সামলেছিলেন চন্দ্রনাথ। অভিনেত্রীর কথায়, “শুভেন্দু স্যার ও চন্দ্রনাথ খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। স্যারের ছায়াসঙ্গী বলা যায় তাঁকে। ভীষণ নিয়ম মেনে চলা মানুষ ছিলেন, কথা বলতেন খুব মেপে। ৪ মে ভবানীপুর থেকে বেরিয়ে চন্দ্রদা বেশ আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছিলেন। পুরো কলকাতার সাংগঠনিক দায়িত্ব ওঁর ওপর ছিল।” আরও পড়ুন: সিঙ্গুরে টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাই কোর্টের
চন্দ্রনাথের মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেও শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা ও মানসিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত মাফিন। তিনি বলেন, “শুভেন্দু স্যর কত লড়াই করে এই জায়গাটা পেয়েছেন। ওঁর জীবনের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই ঘটনা! স্যারের ওপর দিয়ে কী যাচ্ছে, আমরা ভাবতে পারছি না।” ইতিমধ্যেই চন্দ্রনাথের শেষযাত্রায় শামিল হতে রওনা দিয়েছেন অভিনেত্রী মাফিনও। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

–

–

–

–

–
–
–
