শনিবার বাংলায় প্রথমবার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি (BJP Oth Ceremony)। শপথ গ্রহণসভা ঘিরে এই মুহূর্তে প্রস্তুতি তুঙ্গে। শপথ গ্রহণে যোগ দিতে শুক্রবারেই রাজ্যে এসে পৌঁছেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)-সহ বিজেপি শাসিত বহু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও বহু বিজেপি বিধায়ক, নেতা-কর্মীদেরও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা আছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা ঘুরে দেখেছেন। সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে মোতায়েন রাখা হচ্ছে ৪০০০ পুলিশ কর্মী। ব্রিগেডকে ৩০ সেক্টরে ভাগ করে তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশের ডেপুটি কমিশনার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশকর্তা। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন একাধিক ইন্সপেক্টর, সাব ইন্সপেক্টর, এএসআই ও কয়েকজন করে কনস্টেবল। মোতায়েন করা হতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও। হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য থাকছে হেলিপ্যাডের ব্যবস্থা। আরও পড়ুন: চন্দ্রনাথের মৃত্যুর তদন্তে ভিনরাজ্যে SIT সদস্যরা, বারাসতে উদ্ধার খুনে ব্যবহৃত দ্বিতীয় বাইক!

ব্রিগেডের প্রবেশপথ সাজানো হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতির মোড়কে। প্রত্যেক প্রবেশ পথে বসানো হচ্ছে ডোরফ্রেম মেটাল ডিটেক্টর। অপ্রত্যাশিত ঘটনা এড়াতে প্রত্যেক পুলিশ কর্মীর হাতে থাকবে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর। সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি ড্রোন ও বাইনোকুলার দিয়েও চালানো হবে বিশেষ সতর্কতা। ব্রিগেড প্যারেডে তিনটি অংশ থাকছে হ্যাঙারে। মাঝখানের হ্যাঙারে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন রাজ্যপাল আর এন রবি। শপথ গ্রহণের পর সই করার জন্য রাইটিং ডেস্কও থাকছে পাশেই। বাঁদিকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বসার জায়গা। ডানদিকের অংশে থাকবেন রাজ্যের নব নির্বাচিত মন্ত্রীসভা। ঝালমুড়ি, সন্দেশ-রসগোল্লাসহ বাঙালি খাবারের স্টলও রাখা হচ্ছে পাশেই। মূল মঞ্চে যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বহু বিশিষ্ট অতিথির বসার কথা, সেখানে থাকছে বিশাল দুর্গামূর্তি। আয়োজকদের দাবি, শনিবার অন্তত ৫০ হাজার মানুষের সমাগম হতে পারে। মূল মঞ্চের সামনে আড়াআড়িভাবে তৈরি হচ্ছে তিনটি বিশাল হ্যাঙ্গার। বসানো হবে ৩০ হাজারেরও বেশি চেয়ার।
–

–

–

–

–

–
–
–
