একদিকে দেশের প্রধানমন্ত্রী করোনা পরিস্থিতির মতো কাজে ফেরার বার্তা দিচ্ছেন। অন্যদিকে তাঁরই পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী কেন্দ্রের সরকারের জ্বালানি (fuel) উৎপাদনের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন। হরমুজ প্রণালীর মতো ভারতের জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতার মধ্যে দেশের এক শিল্পপতি জ্বালানি সংকট (major shock) নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা শোনালেন। জানালেন জ্বালানি নিয়ে ভারত এবার গভীর সংকটের মধ্যে পড়তে চলেছে।
ভারতের জ্বালানির তথ্য সোমবার পেশ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। যেখানে জানানো হয়েছে দেশে ৬০ দিনের জ্বালানি তেল, ৬০ দিনের প্রাকৃতিক গ্যাস ও ৪৫ দিনের এলপিজি মজুত রয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুবার জ্বালানি বাঁচাতে ও সোনা কেনা নিয়ে সতর্ক করেছেন।

অথচ দেশের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস দফতরের মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি (Hardeep Singh Puri) সেসব স্বীকার করার পথে যাচ্ছেন না। তিনি ঢাক পেটাচ্ছেন প্রাকৃতিক গ্যাস (natural gas) উৎপাদনে ভারত কত উন্নতি করেছে তা নিয়ে। মঙ্গলবার তিনি দাবি করেন, এই সংকটের আগে ভারত ৩৫ হাজার মেট্রিক টন প্রাকৃতিক গ্যাস দৈনিক উৎপাদন করত। এখন প্রতিদিন দেশে ৫৪ হাজার মেট্রিক টন প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন হয়।

আরও পড়ুন : নিরাপত্তার ‘অজুহাত’: নবান্নে এবার নিয়ন্ত্রিত সাংবাদিকদের গতি!

কিন্তু তাতে যে দেশের সংকট কোনওভাবে সামলানো যাবে না। এবং খুব দ্রুত ভারত গভীর সংকটের মধ্যে পড়তে চলেছে, তা নিয়ে সতর্ক করলেন শিল্পপতি উদয় কোটাক (Uday Kotak)। তিনি দাবি করেন, একটা বড় সংকট (big shock) আসতে চলেছে। আর সেটা খুব বড় আকারেই আসছে। গ্রাহকেরা এখনও সেই সংকট অনুভবই করেননি। গত দুমাসে কোনও সংকটই দেখিনি আমরা। গবীর মানুষকে যদি জ্বালানি কিনতে বিপুল ব্যয় করতে হয়, আবার তার উপরে জ্বালানির জন্য প্রতিটি জিনিসে অনেক বেশি খরচ করতে হয়, তবে তা বিরাট ধাক্কা হবে। আগামীকাল যুদ্ধ বন্ধ না হলে আমরা সেই বিপদ থেকে বেশি দূরে নেই। আর এর কোনও উত্তর কারো কাছে নেই।

–

–

–
–
–
