এবার দক্ষিণবঙ্গের জেলা পরিষদের সভাধিপতি কর্মাদক্ষদের নিয়ে বৈঠক করলেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। রবিবার বিকেলে কালীঘাটের বাসভবনে এই বৈঠকে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জেলা পরিষদের কাজ যেমন চলছে তেমনই উন্নয়নের কাজও করতে হবে। মানুষের পাশে থাকতে হবে। একই সঙ্গে বিজেপির অত্যাচারের বিরুদ্ধে পথে নামতে হবে। প্রতিবাদ মিছিল বের করতে হবে।
নেত্রীর নির্দেশ, লোক কম হোক অসুবিধা নেই কিন্তু প্রতিবাদ মিছিল বের করতে হবে। আর যেসব জায়গায় অত্যাচার হয়েছে, খুন হয়েছে সেসব ছবি পোস্টার মতো করে এলাকার নিয়ে এবং বুকে লাগিয়ে প্রতিবাদ মিছিল হবে। এদিনও নেত্রী সকলকে বলেছেন যারা চলে যেতে চায় চলে যেতে পারে, যারা থাকবে তারা মাঠে নামবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন আগামী তিন-চারদিনের মধ্যে তিনি নিজে দলীয় কার্যালয় রং করতে রাস্তায় নামবেন। একইরকমভাবে জেলাগুলিতেও তৃণমূল পার্টি অফিসগুলি রং করতে হবে দলীয় নেতৃত্বকে। বৈঠকে নেত্রী বলেন, আমাকে এত অত্যাচার করেছে আমি কি ভেঙে পড়েছি? আপনারা কেন ভেঙে পড়বেন! বিধানসভা নির্বাচনে হারের কারণ নিয়ে নিজের নিজের অঞ্চলে কোনও দলীয় নেতৃত্বে বিরুদ্ধে ক্ষোভ থাকলে বা অভিযোগ থাকলে তা লিখিত আকারে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। উল্লেখ্য, এদিনের বৈঠকে গায়ের জোরে বিভিন্ন পঞ্চায়েত এবং প্রশাসনিক অফিস দখলের প্রসঙ্গ ওঠে। তখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচিত বোর্ড। অত সহজে ভেঙে দেওয়া যায় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে জানিয়েছেন, কোথাও সশরীরে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি না থাকলে ফোনের মাধ্যমে নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর নিতে হবে এবং তাদের যতটা সম্ভব সহায়তা দিতে হবে। পাশে দাঁড়াতে হবে। এই বৈঠকের পর বিকেলে নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন- ফ্রান্সের বিশ্বমঞ্চে প্রথম বাঙালি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘লাফটারসেন’

_

_

_

_

_
_
_
_
