ভোট পরবর্তী হিংসা ও হকার উচ্ছেদ, বুলডোজার নীতির প্রতিবাদে বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ তৃণমূল বিধায়কদের। একই সঙ্গে পুরনো মামলায় তৃণমূল (TMC) কর্মীদের নাম জুড়ে গ্রেফতার করা হয়েছে, দলীয় কর্মীরা ঘরছাড়া- এই সব অভিযোগে বুধবার সকালে আম্বেদকরের মূর্তির সামনে ধর্নায় বসেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অসীমা পাত্র, কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh), ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা। কেন তৃণমূলের সব বিধায়ক উপস্থিত নেই? এই প্রশ্নের জবাবও দেন তৃণমূলের বেলেঘাটা বিধায়ক।
নির্বাচনে ক্ষমতা হাতছাড়া হওয়ার পরে থেকেই লাগাতার কালীঘাটে দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় হকার উচ্ছেদ এবং বুলডোজ়ার দিয়ে বাড়ি ভাঙার বিরোধিতা করে ২১ মে হাওড়া–শিয়ালদহ স্টেশন এবং বালিগঞ্জে প্রতিবাদ কর্মসূচি করবে তৃণমূল। তার আগে এদিন বিধানসভার বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূল বিধায়করা।

দলের তরফে তৃণমূল (TMC) বিধায়ক কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, গরিব মানুষের রুজিতে হাত দিচ্ছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ হচ্ছে, বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙা হচ্ছে। গণতন্ত্রকে ধুলিস্যাৎ করে তৃণমূলের কর্মীদের মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। আতঙ্কে ঘরছাড়া বহু তৃণমূল কর্মী। বাড়ি ফিরতে তাঁরা থানার সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেই কথা ফাঁস হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কুণাল। এই সবের প্রতিবাদে এদিন ধর্নায় বসেন তৃণমূলের বিধায়করা।

তবে, এদিন দলের সব বিধায়কদের দেখা যায়নি কেন- তৃণমূল বিধায়ককে এই প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। উত্তরে কুণাল জানান, দলীয় বৈঠকে অনেক দূরবর্তী জেলার বিধায়কদের নিজের এলাকায় ফিরে কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই ৫০ বিধায়ক উপস্থিত নেই বলে জানান কুণাল।

–

–

–

–
–
–
