BJP-কে পরাস্ত করতে এবার দেশের নতুন প্রজন্মের ভরসা CJP। প্রতিদিন প্রতি ঘণ্টায় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বাড়তে থাকা ফলোয়ার ভয় ধরিয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে! সেই কারণেই কি তড়িঘড়ি সিজেপির (CJP) এক্স হ্যান্ডেল ভারতে ব্লক করে দেওয়া হল?বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে ঠিক এই প্রশ্নটা নিয়েই উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। এবার সরাসরি ককরোচ জনতা পার্টির হয়ে মুখ খুললেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Maitra) ও শশী থারুর (Sashi Tharur) । দেশের যুবসমাজের মতপ্রকাশের স্বাধীন মঞ্চে এভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না বলে, সাফ জানিয়েছেন তাঁরা।
খাতায় কলমে রাজনৈতিক দল না হয়েও দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে যেভাবে পিছনে ফেলে জনপ্রিয়তার নিরিখে ক্রমশ মানুষের মনে জায়গা করে নিচ্ছে ককরোচ পার্টি তাতে মোদি সরকারের ঘুম উড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়। তাই অনিবার্য পরিণতি হিসেবে ভারতে সিজেপির এক্স হ্যান্ডল বন্ধ। দেশের প্রধান বিচারপতির অপমানজনক মন্তব্যের বিরোধিতায় আত্মপ্রকাশ করা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ফলোয়ার সংখ্যা বিজেপিকে টেক্কা দিতেই CJP-র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক কটাক্ষ করেন, ‘বিজেপি নিজেকে বিশ্বের বৃহত্তম পার্টি হিসাবে দাবি করে। কিন্তু ওদের টপকে যেতে আমাদের মাত্র চারদিন লাগল।’ ব্যাস এরপরই দেখা যায় ককরোচদের বাক স্বাধীনতায় লাগাম পড়ানো শুরু হয়ে গেছে।এক্স হ্যান্ডেলে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এর বিরোধিতা করে লেখেন, ‘আমাদের দেশের সরকার যুবসমাজকে এতটাই ভয় পায় যে একটা অনলাইন আন্দোলনকেও সহ্য করতে পারছে না। ভেবে দেখুন বিরোধী দলগুলোর কাজটা কত কঠিন।’। একই সুর শশী থারুরের গলায়। তিনি লেখেন, ‘যুবসমাজ যে কতখানি হতাশ হয়ে পড়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা দেখেই বুঝতে পারছি। তাদের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়াটা বিপর্যয় বলা যেতে পারে। সিজেপির অ্যাকাউন্ট চলতে দেওয়া উচিত।’

আইবির তরফ থেকে নাকি দাবি করা হয়েছে এই অ্যাকাউন্টটি জাতীয় সুরক্ষার জন্য বিপজ্জনক। সিজেপির এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও ধরণের প্ররোচনা কিংবা হিংসাত্মক মন্তব্য বা ভিডিও কিছুই ছড়ানো হয়নি বলেই দাবি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের। তাহলে কেন অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হল? নিরুত্তর মোদি সরকার।

–

–

–

–

–
–
