বেলেঘাটার তৃণমূল (TMC) বিধায়ক কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghosh) বিধানচন্দ্র রায় শিশু হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির পদে আহ্বান জানানো হয়েছে। বিধায়ক হিসেবে সেই প্রস্তাব গ্রহণ করবেন বলে সংবাদ মাধ্যমকে শুক্রবারই জানান তিনি। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা পরেও এই বিষয় নিয়ে জলঘোলা করছেন কয়েকজন। সেই ঘটনায় শনিবার দুপুরে তীব্র কটাক্ষ করেন বেলেঘাটার বিধায়ক (MLA)। তিনি লেখেন, এনিয়ে কারও বুকে ব্যথা হলে কার্ডিওলজিস্ট দেখান।
রাজ্য পালাবদল হলেও বেলেঘাটার আসনটি ধরে রেখেছে তৃণমূল। নির্বাচনে জিতে প্রথমবার বিধায়ক হয়েছেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। এবার রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বড় বেলেঘাটার বিখ্যাত বিধানচন্দ্র রায় শিশু হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতিতে আমন্ত্রিত সদস্য করতে চেয়ে কুণালকে চিঠি পাঠায় সরকার। সূত্রে খবর, শুধু কুণালই নন, তৃণমূলের আরও বেশ কয়েকজন বিধায়ককে তাঁদের নিজেদের এলাকার সরকারি হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতিতে আমন্ত্রিত সদস্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এই আমন্ত্রণের বিষয়ে কুণাল জানান, “বিধানচন্দ্র শিশু হাসপাতাল বেলেঘাটার একটি ঐতিহ্যশালী শিশু হাসপাতাল। বেলেঘাটার বিধায়ক হিসেবে এই হাসপাতালের ভালো-মন্দের খোঁজ রাখা ও সুষ্ঠু পরিষেবার ব্যাপারে আমারও দায়িত্ব রয়েছে। তাই রোগী কল্যাণ সমিতিতে সদস্য করার ব্যাপারে যে প্রস্তাব এসেছে, তা আমি গ্রহণ করে নেব।”

এখানেই বিষয়টি মিটে যেতে পারত। কিন্তু কয়েকজন এই নিয়ে জলঘোলা শুরু করে। বিশেষ করে স্যোশাল মিডিয়ায় নানা পোস্ট হয়। তার পরেই নিজের পাওয়া চিঠি দুটি দেখিয়ে কুণাল জানান, “Dr B C Roy শিশু হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতিতে আমার আমন্ত্রিত সদস্যপদ নিয়ে কিছু রটনা কানে এল।
1) গতকাল দুপুরে ওঁরা প্রথমে ফোনে জানান।
2) তারপর হোয়াটসঅ্যাপে চিঠি পাঠান।
3) সন্ধ্যায় চিঠির হার্ড কপি বাড়িতে পাঠান।
এনিয়ে কারুর বুকে ব্যথা হলে কার্ডিওলজিস্ট দেখান। এই সদস্যপদ পাওয়া, না পাওয়া নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। দিলে কাজ করব। বাকি ওঁদের সমস্যা।
চিঠির কপি দিয়ে দিলাম।“

–

–

–

–
–
–
