নন্দীগ্রাম থেকে দ্বিতীয়বার জয়ী হয়েও ভবানীপুরকে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র হিসাবে বেছে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর ছেড়ে যাওয়া আসনে উপনির্বাচন (By election) আসন্ন। এই পরিস্থিতিতে তিনি যে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছাড়লেও নন্দীগ্রামকে (Nandigram) ছেড়ে যাননি তা স্পষ্ট করে দিলেন রবিবার নন্দীগ্রামের ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা থেকে। সেই সঙ্গে নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে টার্গেট বেঁধে (target set) দিয়ে গেলেন উপনির্বাচনে জয়ের জন্য।
নন্দীগ্রামের সব শহিদ পরিবারগুলিকে সম্মান জানান রবিবার মুখ্যমন্ত্রী সভা থেকে। কিন্তু শুধুমাত্র শহিদ পরিবারই নয়, নন্দীগ্রামের প্রত্যেকটি বিজেপি কর্মী (BJP worker) সমর্থক পরিবারের সঙ্গে তাঁর কতটা আত্মীয়তা, তা এদিন প্রমাণ করে দিলেন শুভেন্দু। কোথায় কোন গ্রামে কোন কর্মী মার খেয়েছেন, কোন কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে থেকে কোন কর্মীর পরিবারের চাকরি কেড়ে নেওয়া হয়েছে – নাম করে করে বলে গেলেন সভা থেকে। সেই সঙ্গে স্পষ্ট করে দিলেন, সব হিসাব হবে।

বিধানসভা নির্বাচনে (assembly election) নন্দীগ্রাম (Nandigram) থেকে কোন বুথে কেমন ফলাফল, কোন পাড়া থেকে কত ভোট সবই যেন মুখস্থ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। আসন্ন উপনির্বাচনে যে তিনিই বিজেপিকে নেতৃত্ব দেবেন, তাও স্পষ্ট তাঁর বক্তব্যে। স্পষ্ট জানালেন, আমি সব বুথ দেখে নিয়েছি। আমার আড়ালে কিছু যায়নি। পাড়া গ্রাম।

আরও পড়ুন : ফলতার ফলাফলে পুরোনো কারচুপিতে সরব অভিষেক, পাল্টা কটাক্ষ শুভেন্দুর

আর তিনি যখন নেতৃত্ব দেবেন তখন টার্গেটও তিনিই সেট করবেন, সেটাই স্বাভাবিক। রবিবারই ফলতা পুণর্নির্বাচনের (Falta repoll) ফল ঘোষণা হয়েছে। সেখানে যেভাবে বিজেপি ১ লক্ষের বেশি ব্যবধানে জিতেছে, তা স্মরণ করিয়ে নন্দীগ্রামের কাছে শুভেন্দুর দাবি, এখানে একটা উপনির্বাচন আছে। ফলতার মতো ব্যবধান করে দেবেন তো? করে দেবেন। কাজও চলতে থাকবে, এগুলোও চলবে।

–

–

–
–
–
