বিধানসভায় এখনও বিরোধী দলনেতা হিসাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেননি অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু। পাঁচ মিনিটের জন্য দেখা করার সময় পর্যন্ত বিরোধী দলনেতা বা তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকে দেননি অধ্যক্ষ। এবার সেই বিরোধী দলনেতা (LoP) বাছার চিঠিতে তৃণমূল বিধায়কদের সই (signature) জাল করার (forge) অভিযোগ এনে সোজা বিধায়কদের বাড়িয়ে সিআইডি (CID) হানার পথে বর্তমান বিজেপি সরকার।

বিধানসভার তরফে হেয়ার স্ট্রিট থানায় (Hare Street police station) যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তাতে জানানো হয়েছে, প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের সামনে বিধায়ক হিসাবে স্বাক্ষর তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, বাহারুল ইসলাম ও তাপস মাইতি করেছিলেন, তার সঙ্গে তাঁরা বিরোধী দলনেতার জন্য আবেদনে যে স্বাক্ষর করেছিলেন তার মিল নেই (signature mismatch)।

বৃহস্পতিবার বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে দুবার যান সিআইডি-র আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন সিগনেচার বিশেষজ্ঞরাও। বিধায়কের আধার কার্ডের তথ্য নেওয়া হয়। যেভাবে জেরা করা হয়, তাতে অপমানিত বিধায়ক দাবি করেছেন, বাম আমলেও তিনি বিধায়ক ছিলেন। কিন্তু তখনও এত অপমানিত হতে হয়নি। গোটা বিষয়টি তিনি বিরোধী দলনেতা (LoP) শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানানোর কথাও জানান।

আরও পড়ুন : প্রকাশ্যে প্রস্রাব বা চিপসের প্যাকেট ফেললেই জরিমানা: আসছে ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’

অন্যদিকে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলামের (Baharul Islam) বাড়িতেও যান সিআইডি-র আধিকারিকরা। বিধায়কের প্রতিক্রিয়া, তিনি বিরোধী দলনেতা হিসাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা যে চিঠি তাতে স্বাক্ষরই করেননি। কারণ সেই চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে একটি বৈঠকে ৬ মে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে তাঁর স্বাক্ষর মেলা বা না মেলার প্রশ্নই ওঠে না। এই ঘটনাকে হয়রানি বলে দাবি বিধায়কের।

–

–

–
–
–
