সপ্তাহের প্রথম দিনেই লেকটাউন থেকে সরানো হল মেসির বিশাল মূর্তি(Lionel Messi’s statue)। বিগত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরেই মেসির মূর্তি(Lionel Messi’s statue) ঘিরে জল্পনা কল্পনা চলছিল। সোমবার সকাল থেকে মূর্তিটি বেদি থেকে নামিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পূর্ত দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মূর্তিটি পাটাতন থেকে সরিয়ে প্রথমে রাস্তায় নামানো হয়, তার পরে ট্রাকে তোলা হয়। মূর্তি তোলার জন্য হাইড্রলিক ক্রেন আনা হয়েছিল।

আপাতত মূর্তির রক্ষণাবেক্ষনে থাকবে পূর্ত দফতর। এরপর মেসি মূর্তির স্থান হবে নিউটাউনের ইকো পার্কে। শোনা যাচ্ছে, নিচের প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা কমিয়ে, এই মূর্তি ফের নিজের জায়গায় বসানো হতে পারে। অথবা এই মূর্তি নিয়ে চলে যাওয়া হবে পারে ইকোপার্কে।

ভিআইপি রোড পারাপারের জন্য লেকটাউনের যে এলাকায় ভূগর্ভস্থ পথ তৈরি হয়েছে, তার উপরের অংশে বসানো ছিল মেসির মূর্তি। গত বছরের ডিসেম্বরের মেসির কলকাতা সফরের সময়ে এই মূর্তির উন্মোচন হয়। গত সোমবার পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা প্রথম দফায় পরিদর্শন করনে। এর পরের দিন দ্বিতীয় দফায় সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে যান আধিকারিকরা।তাঁরা ঘটনাস্থল এবং মূর্তির ভিত পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি একজন স্থাপত্য বিশেষজ্ঞ তথা অধ্যাপককেও নিয়ে যাওয়া হয়।

শিল্পী মন্টি পালকে ডেকে আলোচনা করা হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, উপরের মূর্তিটিকে অক্ষত রেখে সরানোর পরিকল্পনা হয়। নিচের বেসমেন্টটি আর সরানো হবে না। যাতে বড়সড় কোনও বিপদ না হয়,তাই জন্য সতর্ক ছিল পূর্ত দফতর। আগেই মূর্তিটির চারদিকে দড়ি বেঁধে রাখা হয়।

এরপরই জোর জল্পনা ছড়ায় – যুবভারতীর মূর্তির মতো এটিকেও কি পরে ভেঙে ফেলা হবে? কিন্ত মেসির মতো আইকনের মূর্তি ভাঙলে ভুল বার্তা যাবে, তাই সেটিকে হয়তো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হবে না। মেসি মূর্তির এবার স্থান বদল হতে চলেছে।

–

–

–
–
