Saturday, June 6, 2026

তাহলে দুই প্রধানের কোন উপকারটা করলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়?

Date:

Share post:

লগ্নি ও আই এস এল নিয়ে যখন মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল বিপর্যস্ত, তখন হঠাৎ ‘মসিহা’ হিসেবে নাম ভেসে উঠেছিল বিজেপির নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। ফুটবলার ও বিজেপি সংগঠক কল্যাণ চৌবে দুই প্রধানের কর্তাদের কৈলাসের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। বৈঠক হল। ছবি হল। দুই প্রধান আশায় বুক বাঁধল। কিন্তু দিনের শেষে অশ্বডিম্ব। কোনো দিক থেকেই কোনো মদতের ব্যবস্থা কৈলাস করতে পারেননি। তাহলে কল্যাণ ওঁর কাছে সৃঞ্জয় বোস, দেবব্রত সরকারদের নিয়ে গেলেন কেন? কোন্ কারণে? শেষে মোহনবাগানকে নিজের ব্যবস্থা নিজেকেই করতে হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলকে দ্বারস্থ হতে হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নিজেরাও চেষ্টা করছে। প্রশ্ন হল, বিজেপির কি কিছুই করার ছিল না? বাংলা দখল মানে শুধুই রাজনীতি? ময়দানের ঐতিহ্যশালী দুই বড় ক্লাবকে সাহায্য করা যেত না? এটা কি একেবারেই অসম্ভব ছিল? কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক কোনো পদক্ষেপ নিতে পারত না? দুটো স্পনসর এনে দেওয়া যেত না? এখন এনিয়ে চর্চা জোর কদমে।

Related articles

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে রক্তদান শিবির: দেশপ্রিয় পল্লী বালক সংঘের উদ্যোগকে স্বাগত বিধায়কের

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে পরিবেশ রক্ষায় নানাভাবে প্রশাসন থেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি নানা উদ্যোগ নিয়ে থাকে। মূলত গাছ লাগানোর মাধ্যমেই...

ইস্তফা সোনালী চক্রবর্তীর: রাজ্যপালকে চিঠি রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্যের

প্রশাসনিক ক্ষেত্রের পরে এবার শিক্ষাক্ষেত্রে ইস্তফার পালা। রাজ্যে পালাবদলের পরে কাজ করতে অক্ষম, দাবি করে একের পর এক...

৪৮ ঘণ্টার তল্লাশি: অবশেষে NIA-র জালে শওকত মোল্লা

বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে যে শওকত মোল্লার (Saokat Molla) খোঁজ...

তৃণমূলের নতুন কমিটি গঠন: পরিষদীয় ইস্যুতে আদালতে যাচ্ছে দল

৩ জুন দলের সব কমিটি ভেঙে দেওয়ার পরে ৫ জুনই নতুন কমিটি ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। একদিকে একাধিক...