Tuesday, April 7, 2026

করোনায় প্রয়াত আওধের শেষ নবাবের প্রপৌত্র সাজ্জাদ আলি মির্জা

Date:

Share post:

প্রয়াত হলেন আওধের শেষ নবাব ওয়াজিদ আলি শাহ এবং বেগম হজরত মহলের প্রপৌত্র কাওকব কাদের সাজ্জাদ আলি মির্জা৷ সম্প্রতি তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন৷ রবিবার সন্ধ্যায় মারা যান৷ মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর৷
মৃত্যুর পর তাঁকে মেটিয়াবুরুজের পারিবারিক কবরস্থান গুনশানাবাদে সমাধিস্থ করা হয়৷
একসময় আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উর্দু নিয়ে ডক্টরেট পাশ করেছিলেন তিনি৷ তারপর সেখানেই উর্দু ভাষার অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন৷ ১৯৯৩ সালে অবসর নেন৷

অবসরের পর ঘটনাচক্রে কলকাতায় চলে আসেন৷ মেটিয়াবুরুজে থাকতেন তিনি৷ সেখানকার সিবতোনাবাদ ইমামবাড়া ট্রাস্টের সিনিয়র ট্রাস্টি ছিলেন৷ গত সপ্তাহে শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দেওয়ায় করোনা পরীক্ষা করান তিনি৷ রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷ চিকিৎসা শুরু হয়৷ কিন্তু ক্রমে অবস্থার অবনতি হতে থাকে৷ রবিবার স্ত্রী, দুই ছেলে ও চার মেয়েকে রেখে চলে যান তিনি৷
লখনউয়ের প্রখ্যাত শিয়া ধর্মীয় পরিবারের সদস্য মামলিকাত বদর ছিলেন তাঁর স্ত্রী। ৬ সন্তানকে নিয়ে ছিল তাঁদের সংসার।

অস্কারজয়ী চিত্রপরিচালক সত্যজিৎ রায় ওয়াজিদ আলি শাহকে নিয়ে গবেষণা করার সময় তাঁর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদান সম্পর্কে তাঁর সঙ্গে পরামর্শ করেছিলেন। তিনি সত্যজিৎ রায়ের ‘শতরঞ্জ কে খিলাড়ি’ চলচ্চিত্রের গবেষণামূলক পরামর্শদাতা ছিলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন লেখায় সত্যজিৎ রায় বহুবার কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তাকে। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে মেটিয়াবুরুজে।

Related articles

ভোটার তালিকায় বহিরাগত ঢোকানোর ছক! প্রভুকে খুশি করতেই ব্যস্ত, কমিশনকে কটাক্ষ তৃণমূলের

বিজেপিকে খুশি করতে বিহার-উত্তরপ্রদেশ থেকে ভোটার আনা হচ্ছে বাংলায়! আর সুপরিকল্পিত চক্রান্তে বাংলার বৈধ ভোটারদের নাম কেটে ভোটাধিকার...

ভোটার তালিকায় জটিলতা মেটাতে তৎপর কমিশন, সিইও দফতরে বিশেষ দায়িত্বে বিভূ গোয়েল

ভোটার তালিকা সংশোধন তথা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিক টানাপড়েনের আবহে রাজ্যের নির্বাচনী পরিকাঠামোয় বড়সড় রদবদল ঘটাল ভারতের নির্বাচন...

গেরুয়া শিবিরে বিতর্কিত বাম নেতা অনিল বসুর পুত্র সৌম্য

বাবা বাম জমানার বিতর্কিত নেতা অনিল বসু (Anil Basu)। এবার তাঁর ছেলে সৌম্য বসুকে এবার দেখা গেল বিজেপির...

কারণ না দেখিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত! খারিজ জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ প্রস্তাব

দেখানোর মতো কোনও সুনির্দিষ্ট যুক্তিই নেই কেন্দ্রের। তাই কোনও কারণ ব্যাখ্যা না করেই সম্পূর্ণ একতরফাভাবে খারিজ করে দেওয়া...