Thursday, March 12, 2026

জার্সির রঙে রাঙানো উত্তরপাড়ার ‘মোহনবাগান বাড়ি’

Date:

Share post:

সুমন করাতি, হুগলি: “সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল।” ফুটবল প্রেমী বাঙালির জীবনে উৎসবের মরশুম শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। কারণ, শুরু হয়ে গিয়েছে আইএসএল। আর সেই মেজাজকে চাগিয়ে দিতে এরই মধ্যে উত্তরপাড়া জে কে স্ট্রিটের বাসিন্দা তিলক বসু সবুজ-মেরুন রঙে রাঙিয়ে ফেলেছেন নিজের বাড়ি। শুধু রং নয় একেবারে জার্সির কায়দায় সাদা-সবুজ-মেরুন স্ট্রাইপ। বাড়ির নাম দিয়েছে ‘মোহনবাগান বাড়ি’।

মনেপ্রাণে মোহনবাগান ক্লাবের ভক্ত তিলক বসু। ক্লাবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ভারতের জাতীয় ক্লাব মোহনবাগানের বহু ইতিহাসের সাক্ষীও থেকেছেন তিনি। দলের খেলা থাকলে তার টিকিটও বিক্রি হয় তাঁর ‘মোহনবাগান বাড়ি’ থেকে।

কিছুদিনের মধ্যে মোহনবাগানের জেতা আইলিগ ট্রফি আসবে তাঁর বাড়িতে বলে জানান মোহনবাগান প্রাণ তিলক বসু। মোহনবাগানের প্রত্যেক খেলায় মাঠে বসেই খেলা দেখেন। কিন্তু এবার করোনা আবহে আইএসএল-এ গোয়ার মাঠে যাওয়া হচ্ছে না। তাই মন কিছুটা ভরাক্রান্ত। কিন্তু আইএসএল-র সফর জয় দিয়ে শুরু করেছে এটিকে মোহনবাগান। তাই আনন্দের সীমা নেই মোহনবাগান বাড়ির সদস্যদের।

আরও পড়ুন:করোনা-রোধে মাত্র ৬০ শতাংশ কার্যকরী দেশীয় ভ্যাকসিন, জানাচ্ছেন বায়োটেকেরই কর্তা

তিলক বসু জানান, মোহনবাগানের খেলার দিন এলাকার বাসিন্দাদের জন্য রাস্তায় বসানো হয় বড় টিভি।মোহনবাগান জিতলে চলে উৎসব আর হারলে বন্ধ হয়ে যায় খাওয়া দাওয়া। উত্তরপাড়ায় মোহনবাগান বাড়ি নিয়ে উচ্ছসিত হুগলি জেলার মোহনবাগান সমর্থকরাও।

spot_img

Related articles

‘লোকভবনে’ রাজ্যপাল আর এন রবি: বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতকে চরমে তুলে দিয়ে নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বিদায়ী রাজ্যপাল সি...

বন্দে ভারত আদৌ সাধারণ মানুষের জন্য: সংসদে প্রশ্ন অভিষেকের

রেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর হাফ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব অত্যন্ত গর্ব করেন। অথচ দেশের সাধারণ মানুষ...

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব: শেষ পর্যায়ে সই সংগ্রহ, শীঘ্রই পেশ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের জন্য ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের নোটিশ আনতে শেষ পর্যায়ে সই সংগ্রহ প্রক্রিয়া। এসআইআর (SIR)...

কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ: সংখ্যালঘু চাকরিপ্রার্থীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ

কর্মসংস্থানের জন্য নতুন পদ সৃষ্টিই নয়, চাকরিপ্রার্থীদের প্রশিক্ষণেও নতুন দিশা দেখিয়েছে বাংলার বর্তমান প্রশাসন। যার প্রত্যক্ষ ফল সর্বভারতীয়...