আনিসের বাড়িতে SIT, তদন্তকারীদের সহযোগিতা করলেন পরিবারের সদস্যরা

আইপিএস মিরাজ খালিদ নিজে আনিসের বাবার সঙ্গে কথা বলেছেন

আনিস খানের মৃত্যু (Anish Khan Death Case) নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। কোনও কোনও মহল থেকে এই ঘটনায় রাজনীতির রঙ চড়ানোর চেষ্টা চলছে। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আগেই রাজনৈতিক ফায়দা তোলার তাগিদ দেখা যাচ্ছে অনেকের মধ্যে। তবে মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগী হয়ে এই ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়ার ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই আনিস হত্যাকাণ্ডে গঠিত হয়েছে SIT.

ঘটনার তদন্তে আজ, মঙ্গলবার দুপুর তিনটে নাগাদ আনিস খানের (Anish Khan Death Case) বাড়িতে পৌঁছে যায় SIT-এর ১৫ সদস্যের তদন্তকারী দল। তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন আইপিএস প্রদীপ যাদব। এছাড়াও ছিলেন আইপিএস মিরাজ খালিদ ও জয়েন্ট সিপি ব্যারাকপুর আইপিএস ধ্রুবজ্যোতি দে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মতো ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে SIT.

আরও পড়ুন: ‘গ্রুপ ডি’ মামলায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

তিনতলার ছাদের যে ফাঁকা জায়গা দিয়ে আনিসকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে, এদিন সেই জায়গাটিও পরীক্ষা করে দেখেন তদন্তকারীরা। ঘটনা স্থলের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গার ছবি তুলে রাখা হয়েছে। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরাও ছিলেন তদন্তকারী দলের সঙ্গে। তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন।

অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী পদক্ষেপ নিতেই কিছুটা আশা-ভরসার জায়গা থেকেই এদিন আনিসের পরিবারের সদস্যরা SIT-এর তদন্তকারীদের সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করছেন। আইপিএস মিরাজ খালিদ নিজে আনিসের বাবার সঙ্গে কথা বলেছেন। ঘটনার দিনের বিবরণ জানতে চেয়েছেন। এবং আনিসের পরিবারকে দোষীদের শাস্তির ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন মিরাজ খালিদ।

এদিকে, আনিস হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে ৩ পুলিশকর্মীকে। সাসপেন্ড করা হয়েছে আমতা থানার এএসআই নির্মল দাস ও কনস্টেবল জিতেন্দ্র হেমব্রমকে। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরাকে।