শহরের বুকে জোড়া খুন। ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত মৃতদেহ। স্বামী-স্ত্রী-র মৃতদেহ উদ্ধার। মৃত ব্যক্তির নাম অশোক সাউ। বয়স ৬০ বছর। তাঁর স্ত্রীর নাম রশ্মিতা সাউ। বয়স ৫৫। হরিশ মুখার্জি রোডে মিত্র ইনস্টিটিউশন থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বের এই ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ উদ্ধার করে প্রৌঢ় গুজরাটি দম্পতির দেহ।
এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভবানিপুর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশি কুকুর নিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারী অফিসাররা। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দিয়েও শুরু হয়েছে তদন্ত। ঘটনাস্থলে পৌঁছছেন স্থানীয় কাউন্সিলর এবং মেয়র ফিরহাদ হাকিম। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

পেশায় ব্যবসায়ী। শেয়ার মার্কেটের ব্যবসা ছিল এই পরিবারের। দু’জনেরই দেহে ছিল গভীর ক্ষতচিহ্ন। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের ধারণা, অশোক শাহর ক্ষতচিহ্ন বুলেটের, রেশমি শাহের ক্ষত সম্ভবত ধারালো অস্ত্রের আঘাতের। সম্ভবত এটি খুনের ঘটনা। দুপুরের দিকেই ঘটেছে এই রহস্যমৃত্যু। দম্পতির এক মেয়ে সন্ধ্যায় ফ্ল্যাটে ফিরেই দেখতে পান বাবা-মায়ের রক্তাক্ত দেহ। সূত্র খুঁজতে পুলিশ কুকুর নিয়ে আসা হয় ঘটনাস্থলে। ঘটনার খবর পেয়েই ছুটে আসেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। আসেন নগরপাল বিনীত গোয়েল-সহ পদস্থ পুলিশ কর্তারা। মেয়র জানিয়েছেন, গুলি করে খুন করা হয়েছে বলে শুনলাম। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তেই উঠে আসবে আসল ঘটনা। অপরাধ করে কেউই পার পাবে না বাংলায়। অপরাধী ধরা পড়বেই। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফ্ল্যাটের আলমারি হাট করে খোলা ছিল। ফ্ল্যাটের দরজাও খোলা ছিল। তবে নিছক ডাকাতির উদ্দেশ্যে আততায়ীরা এসেছিল, নাকি নেপথ্যে অন্যকিছু, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে রহস্য ভেদ করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

আরও পড়ুন- ছোট্ট শ্রীতমার দেহদান, আদরের মেয়েকে নিয়ে বাবা-মায়ের শেষ ইচ্ছাপূরণ এসএসকেএমে















