Saturday, May 16, 2026

কংগ্রেস ছাড়লেন স্বাধীনতা সংগ্রামী রাজা গোপালাচারীর নাতি কেশবন

Date:

Share post:

ফের ভাঙন কংগ্রেসে(Congress)। এবার দল ছাড়লেন স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল চক্রবর্তী রাজা গোপালাচারীর নাতি সিআর কেশবন(CR Keshavan)। দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে তাঁর দাবি, বর্তমান কংগ্রেসের সঙ্গে মতাদর্শগত বিভেদ তৈরি হয়েছে তার। কংগ্রেস মূল্যবোধ হারিয়েছে। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে(Mallikarjun Kharge) চিঠি লিখে নিজের দলত্যাগের কথা জানিয়েছেন কেশবন।

বেশ কিছুদিন আগে থেকেই কংগ্রেসের সব কর্মসূচি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিলেন কেশবন। রাহুল গান্ধী ভারত জোড়ো যাত্রাতেও অংশ নিতে দেখা যায়নি তাঁকে। এরপর বৃহস্পতিবার নিজের দল ত্যাগের কথা জানিয়ে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং তামিলনাড়ু প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরে চিঠি দেন। চিঠিতে তিনি লেখেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে কংগ্রেসের কাজের ধরন না গঠনমূলক আর না সুপরিকল্পিত। আমি যে মূল্যবোধের জন্য কংগ্রেস করতাম, সেটা বদলে গিয়েছে।” বলার অপেক্ষা রাখে না, লাগাতার ভাঙনের মাঝে এবার কেশবনের এই ইস্তফা নিঃসন্দেহে তামিলনাড়ু প্রদেশ কংগ্রেসের জন্য ধাক্কা।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কেশবন। যুব কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন দীর্ঘদিন। তাঁর দাবি, বিদেশ থেকে তিনি ভারতে এসেছিলেন দেশসেবার উদ্দেশ্যেই। কিন্তু ২২ বছর কংগ্রেসের (Congress) সঙ্গে যুক্ত থাকার পর দলের নীতিপঙ্গুত্ব মেনে নিতে না পেরে দল ছাড়লেন তিনি।

Related articles

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...

বিজেপির পুরস্কার: শমীক এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? রাজ্য সভানেত্রী হতে পারেন লকেট!

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল। তৃণমূলের থেকে শাসনভার বিজেপির হাতে। আর মুখ্যমন্ত্রী ও পাঁচজন মন্ত্রী এবং বিধায়কদের শপথগ্রহণ হওয়ার পরেই...