Tuesday, April 28, 2026

“আমি গরিব পরিবারের সন্তান বলেই কি এরকম!” আবেগঘন মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর

Date:

Share post:

পায়ে চোট। তবু, পঞ্চায়েত ভোটের ফল প্রকাশ হওয়ার পরেই বুধবার নবান্নে (Nabanna) যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে বিরোধীদের কুৎসা সত্ত্বে মানুষের ভোটে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। কিন্তু তার পরেই বিরোধীদের কুৎসা-অপপ্রচার-আক্রমণের বিরুদ্ধে আবেগঘন মন্তব্য করেন মমতা।

তৃণমূল সভানেত্রী বলেন, “বিরোধী থাকাকালীন শুধু মার খেয়েছি। বিজেপি ক্ষমতায় আসা থেকে উগ্রবিদ্বেষ মূলক মনোভাব দেখিয়েছে। আমি অপরাধ করলে শাস্তি দিন। কিন্তু এত কুৎসা কেন? আমি গরিব পরিবারের সন্তান বলেই কি এরকম! আমার অপরাধ থাকলে শাস্তি দিন, মা-মাটি-মানুষের শাস্তি মাথা পেতে নেব”। একেবারে সাধারণ পরিবারের মেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লড়াই করে উঠে এসেছেন। এখনও থাকেন টালির বাড়িতে। বেশভুশাও নিতান্ত সাদামাটা। কিন্তু তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতার কথা জানে আসমুদ্র হিমাচল।

আরও পড়ুন- নির্বাচনে দলীয় কর্মীদের মৃ.ত্যু, ২১ জুলাই ‘শ্রদ্ধা দিবস’ ঘোষণা তৃণমূল সুপ্রিমোর

বাম আমলে বিরোধী নেত্রী থাকার সময় বিরোধীদের মারে মাথা ফেটে গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আঘাত এতটাই বেশি ছিল যে, তিনি আর বেঁচে নেই বলে খবর এসেছিল বিধানসভায়। এদিন একথা নিজেই জানান মমতা। এরপরেই বেদনাভরা কণ্ঠে তাঁর প্রশ্ন, গরিব পরিবারের সন্তান বলেই কি এই আক্রমণ তাঁর!

 

 

Related articles

সোনা পাপ্পু মামলায় পুলিশকর্তা শান্তনুকে মঙ্গলেই হাজিরার নির্দেশ ইডির 

রাজ্যে যখন দ্বিতীয় দফার ভোট (second phase of assembly election) ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে ঠিক তখনই পুলিশকর্তা শান্তনু...

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে রাতভর অভিযান পুলিশের, গ্রেফতার ৮০৯

বাংলার দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচনের (Second phase of election) আগে রাজ্যে পুলিশি তৎপরতা। রাতভর ধরপাকড় অভিযান চালিয়ে...

লাস্যময়ীর সঙ্গে ‘সিঙ্ঘম’ অফিসার অজয়ের ফুর্তি! ভিডিও প্রকাশ্যে এনে খোঁচা মহুয়ার

বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এসে পৌঁছেছেন উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) 'সিঙ্ঘম'। খুব কম সময়ে মহিলা মহলে বেশ জনপ্রিয়...

কমিশনের WORRY তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা, আজই শুনানির সম্ভাবনা

বাংলার বিধানসভার দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে সম্ভাব্য গোলমালকারীদের তালিকা প্রকাশ করে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (EC)। WORRY...