Saturday, January 10, 2026

ওয়াংখেড়েতে ট্রফি হাতে আবেগে ভাসলেন বিরাট-রোহিতরা , কী বললেন তাঁরা

Date:

Share post:

বৃহস্পতিবার টি-২০ বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফিরেছে ভারতীয় দল। সকাল থেকেই দেষে আবেগে ভাসলেন রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিরা। প্রথম দিল্লি , তারপর মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। সব জায়গায় জনস্রোতে ভাসল টিম ইন্ডিয়াকে নিয়ে। এদিন মুম্বই বিমানবন্দরে নেমে হুড খোলা বাসে করে জনসমুদ্রের মধ্যে দিয়ে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আসেন রোহিতরা। আর ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এসে ফের একবার হার্দিক পান্ডিয়ার প্রশংসায় মাতেন ভারত অধিনায়ক। যা শুনে চোখে জল ভারতীয় অলরাউন্ডারের।

এদিন ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রোহিত বলেন, “ শেষ ওভারে যে কোনও রান বাঁচানোই খুব কঠিন। প্রচুর চাপ থাকে। সেই চাপ সামলে হার্দিক বল করেছে। প্রথমে ক্লাসেনকে আউট করে ও আমাদের খেলায় ফিরিয়েছে। তার পরে শেষ ওভারে মিলারের উইকেট নিয়েছে। আমাদের বিশ্বকাপ জিতিয়েছে। হার্দিক দুর্দান্ত।” অধিনায়কের কথা শুনে কেঁদে ফেললেন সামনে বসে থাকা হার্দিক ।“

এদিকে বিশ্বকাপ জয় নিয়ে নিজের উপলব্ধির কথা জানালেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, “ আমি আর রোহিত শর্মা ১৫ বছর ধরে এক সঙ্গে খেলছি। আমরা দু’জনেই একবার করে বিশ্বকাপ জিতেছি। দেশকে আরও একটা বিশ্বকাপ দেওয়ার জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করেছি। পারিনি। এবার জেতার পর দু’জনেই কাঁদছিলাম। কাঁদতে কাঁদতেই আমরা পরস্পরকে জড়িয়ে ধরলাম। সেই মুহূর্তটা আমার ক্রিকেটজীবনের অন্যতম সেরা।’’ এরপর তিনি আরও বলেন,‘‘২০১১ সালে এই মাঠে যখন বিশ্বকাপ জিতেছিলাম, খুব আনন্দ হয়েছিল। তখন আমার বয়স ২১ কী ২২। তখন দলের সিনিয়রদের চোখে জল দেখেছিলাম। তাঁদের কান্নার গুরুত্ব বুঝতে পারিনি। মনে আছে সচিন তেন্ডুলকরকে কাঁধে নিয়ে ঘুরেছিলাম আমরা। তাও মনে হয়েছিল, আমরা তো সহজেই বিশ্বকাপ জিতলাম। এবার উপলব্ধি করলাম একটা বিশ্বকাপ জেতা কত কঠিন। নিজে কেঁদে বুঝলাম ২০১১ সালে সিনিয়রেরা কেন কেঁদে ছিল।”

আরও পড়ুন- বিএসএস-এর সঙ্গে ড্র করল DHFC


spot_img

Related articles

বেলুড়মঠে সাড়ম্বরে পালিত স্বামী বিবেকানন্দের জন্মতিথি উৎসব, মঙ্গলারতির পরেই শুরু বেদপাঠ 

১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) জন্মদিন হলেও পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের সপ্তমী তিথিতে তার আবির্ভাব উৎসব পালিত হয়।...

হিমাচলে বাস দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে ১৪, রাজস্থানের জয়পুরে অডির ধাক্কায় আহত একাধিক!

হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) সিরমৌর জেলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪। শুক্রবার দুপুরে সিমলা থেকে রাজগড় হয়ে...

কঠিন, দুর্ভাগ্যজনক: ইডি তল্লাশিতে প্রতিক্রিয়া IPAC-এর, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূলের

নিজেদের কাজের ধরণ ও রাজনৈতিক সংযোগের উদাহরণ তুলে ধরে বৃহস্পতিবারের ইডি হানাকে কঠিন ও দুর্ভাগ্যজনক বলে দাবি করা...

নতুন করে কাজের চাপে আত্মঘাতী বিএলও! আতঙ্কে মৃত্যু দুই ভোটারেরও

নিজেদের কাজের টার্গেট পূরণের জন্য ক্রমশ চাপ বাড়ানো হচ্ছে রাজ্যে সরকারি কর্মী বিএলওদের উপর। তার জেরে ক্রমশ মৃত্যুর...