বাহারি খাবার। কোনওটা বাগানের টাটকা ফল। কোনওটা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে একেবারে বিদেশে পাড়ি দেওয়ার মতো। আবার কোথাও রকমারি মশলা, কোথাও বা লোভনীয় মিষ্টি। এরমকই বাহারি খাবারের সম্ভাব নিয়ে শুক্রবার থেকে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে শুরু হতে চলেছে ‘বাংলার ফল ও খাদ্য উৎসব- ২০২৪’। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যান পালন দফতরের উদ্যোগে তিনদিন চলবে এই উৎসব।


বাইরের দেশের ফল থেকে আঞ্চলিক পণ্য এবং বিভিন্ন ধরনের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতিকে তুলে ধরা হবে এই উৎসবে। উদ্যান পালনের সার্বিক উন্নয়ন ও বিকাশ এবং খাদ্য প্রক্রিয়া করনের মাধ্যমে উদ্বৃত্ত উৎপাদনের সংরক্ষণ ও তার প্রদর্শনী ও এর মাধ্যমে সর্ব স্তরের মানুষের মধ্যে উৎসবের বার্তা তুলে ধরাই এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। বিভিন্ন জেলার মানুষের উৎপাদিত ড্রাগন ফল, মাশরুম যেমন থাকবে, তেমনই থাকবে ফলের শরবত, শুকনো আম ইত্যাদির মতো দেশীয় লোভনীয় পদ। এছাড়া প্রক্রিয়া জাত খাদ্য পণ্য – যেমন জ্যাম, জেলি, আচার, কেক, চকোলেট, ক্যানড আনারস ইত্যাদিও থাকবে। সেই সঙ্গে মশলা এবং ভেষজ, শাকসবজি এবং ফল, দুগ্ধজাত পণ্য, মিষ্টি, মাংস, আইসক্রিম, রেস্তোরাঁ প্রভৃতিরও আয়োজন থাকবে।

খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ অধিদফতরের পাশাপাশি এই মেলায় স্থান পাচ্ছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য পরিচিত আনন্দধারা, মৎস্য বিভাগ, সুন্দরবন কো-অপারেটিভ মিল্ক অ্যান্ড লাইভস্টক প্রডিউসারস ইউনিয়ন লিমিটেড, সুফল বাংলা, উপভোক্তা বিষয়ক দফতরের স্টলও। ফলে সেখান থেকে বাংলায় উৎপাদিত মৎস্য, দুগ্ধ ইত্যাদিজাত খাবারের সম্ভারও এক ছাদের তলায় হাতের নাগালে পাবেন সাধারণ মানুষ। এছাড়াও কিছু বাণিজ্যিক স্টলও জায়গা পাবে এই মেলায়।


শুক্রবার মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী অরূপ রায়। উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মন্ত্রী মলয় ঘটক, মন্ত্রী প্রদীপ কুমার মজুমদার, মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র, মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, মন্ত্রী গোলাম রব্বানী, বিপ্লব রায়চৌধুরী, বেচারাম মান্না। প্রথমদিন মেলার উদ্বোধনের পাশাপাশি আয়োজন করা হবে ক্যুইজ প্রতিযোগিতার। শনিবার, দ্বিতীয় দিন আয়োজন করা হবে দুটি আলোচনা সভার। তৃতীয় ও সর্বশেষ দিন থাকবে রান্নার প্রতিযোগিতা।














