Wednesday, January 14, 2026

কথা রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই! ‘মিথ্যাচারী’ প্রধানমন্ত্রীর শুধুই ভাঁওতা

Date:

Share post:

বিজেপি মিথ্যাচারী, ফের একবার প্রমাণ হয়ে গেল। বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে নকল করে দিল্লিতে ভোট কিনেছিল বিজেপি। ভোট ফুরোতেই প্রতিশ্রুতিভঙ্গ। মোদি-শাহদের ভাঁওতাবাজি আবার একবার ধরা পড়ে গেল। মোদি গ্যারান্টির কী মহিমা নিজের চোখে দেখল দিল্লিবাসী। মিথ্যাচার আর ভাঁওতাবাজির দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বিজেপি বোঝাল, তারা শুধুই ভোটপাখি, মানুষের উন্নয়ন তারা চায় না। একইসঙ্গে দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল, কথা রাখার একমাত্র নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই পারেন। কথা দিলে কথা রাখেন।

দিল্লি বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন, বিজেপি ভোটে জিতলে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারীদিবসে মহিলাদের সবাইকে আড়াই হাজার টাকা করে অনুদান দেবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, প্রতিশ্রুতিই সার। ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারীদিবসে প্রকল্প চালুর সিদ্ধান্ত দিল্লি সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে গ্রহণ করা হল ঠিকই, কিন্তু সেই টাকা সবাই পাবেন না। মহিলা ভাতার ক্ষেত্রে শর্ত আরোপ করল দিল্লির সরকার। কবে থেকে টাকা দেওয়া হবে, তাও স্পষ্ট নয়। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, চার সদস্যের কমিটি গঠন করছি প্রকল্পের রূপরেখা স্থির করতে। এই প্রকল্পে থাকছে কিছু শর্ত। ২১ থেকে ৬৫ বছর বয়সী দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী পরিবারের একজন করে মহিলা এই সুযোগ পাবেন। যাঁদের আয় বছরে আড়াই লক্ষ টাকার কম সেই মহিলারাই শুধু ভাতা পাবেন। একই পরিবারের একাধিক মহিলা সদস্য থাকলে তাঁরা অনুদান পাবেন না। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেন সমস্ত মহিলাদের, দিল্লির বিজেপি সরকার মহিলাদের ভাতা দেবে পরিবারের একজনকে। তাও সমস্ত পরিবার এই পরিষেবার আওতায় আসবে না। বিজেপি সরকারের এই সিদ্ধান্তে বিরোধীরা নরেন্দ্র মোদিকে মিথ্যাচারী আখ্যা দিয়েছে। বিরোধীদের কথায়, প্রতিশ্রুতি রাখেননি মোদি। টাকার বদলে মহিলারা পেলেন কমিটি। দিল্লির মানুষকে ভাঁওতা দিল বিজেপি। তাঁরা মোদির গ্যারান্টিতে বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছিলেন, ভোটের পর পুরোটাই ঘাড় ধাক্কা খেলেন। বিজেপি যে মানুষের কথা ভাবে না, তা আজ জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল আবার। মোদি গ্যারান্টি আসলে জুমলা। মোদিজি ভোট পাওয়ার জন্য জুমলার রাজনীতি করেন। ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পরই বারবার প্রতিশ্রুতি রক্ষার কথা ভুলে যান। সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া থেকে শুরু করে বছরে ১ কোটি চাকরি, বিনা পয়সায় গ্যাস, মহিলা ভাতা— সবকিছুতেই তাঁর জুমলাবাজি। তাই এবার মোদি গ্যারান্টি থেকে সাবধান। বাংলাই পারে। পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। একুশের ভোটের আগে তিনি কথা দিয়েছিলেন। সেই কথামতো কুর্সিতে বসেই প্রথম তিনি সকল মহিলার জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করেছেন। যা আজও অবিরত বাংলার লক্ষ্মীরা তাঁদের অ্যাকাউন্টে সম্মানস্বরূপ পেয়ে চলেছেন। যতদিন বাঁচবেন, ততদিন পাবেন।

আরও পড়ুন- সিরিয়ায় সংঘর্ষে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত!

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

spot_img

Related articles

অপরিকল্পিত SIR-এর কুশীলব সীমা খান্নাকে আবেদন বাংলার কন্যার! পোস্ট অরূপের

একটি ফেসবুক পোস্ট, একটি আবেদন। বাংলার বহু মানুষের মনের কথা। এসআইআর(SIR) পর্বে যে হয়রানি চলছে বাংলাজুড়ে, সে কথাই...

SIR হিয়ারিং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, শুনানিতে হাজির হয়ে প্রবীণদের ছাড় দেওয়ার দাবি দেবের

লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সির নামে এসআইআর হিয়ারিং-এ কেন ডাকা হচ্ছে, কেন হয়রান করা হচ্ছে সেটা কি কেউ বুঝতে পারছে না,...

উৎসবমুখর দেশবাসী, শুভেচ্ছাবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

  একদিকে মকর সংক্রান্তি, অন্যদিকে পোঙ্গল, সাথে জুটি বেঁধেছে মাঘ বিহু, সবমিলিয়ে বিবিধের মাঝে যেন মহামিলন! এই উপলক্ষে বাংলার...

অর্ঘ্য সেনের প্রয়াণ অপূরণীয় ক্ষতি, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পীর মৃত্যুতে সোশ্যালমিডিয়া পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর 

বাংলার সাংস্কৃতিক জগতে নক্ষত্রপতন। বুধের সকালে প্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পী অর্ঘ্য সেন (Arghya Sen)। ৯০ বছর বয়সে রবীন্দ্র সংগীত...