দেশে কৃষকের তুলনায় পড়ুয়াদের আত্মহত্যার সংখ্যা বেশি। তবু পড়ুয়াদের আত্মহত্যার প্রবণতা রুখতে কোনওরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। বাধ্য হয়ে কড়া হতে হল সুপ্রিম কোর্টকে।মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালত বলেছে, পডুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ও আত্মহত্যা রুখতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এই জন্য প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে একটি টাস্ক ফোর্সও গড়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই আইআইটি পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর মামলায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালে। দিল্লি আইআইটিতে দুই পড়ুয়া আত্মহত্যা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিষয়টি নিয়ে মামলা দায়ের করতে চেয়েছিল দুই মৃত পড়ুয়ার পরিবার। কিন্তু সেসময় এফআইআর দায়ের করেনি পুলিশ। মঙ্গলবার বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও আর মহাদেবনের ডিভিশন বেঞ্চ পুলিশকে ভর্ৎসনা করে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে।

এদিন ওই মামলার শুনানি ছিল।২০২১ সালের একটি সরকারি রিপোর্ট বলছে, মাত্র এক বছরে আত্মঘাতী হয়েছেন ১৩ হাজার পডু়য়া। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, পড়ুয়া আত্মঘাতীর সংখ্যা দেশে এখন কৃষকদের আত্মহত্যার সংখ্যাকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

এরপরই পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির কথা ভেবে ১০ সদস্যের টাস্ক ফোর্স গঠন করে শীর্ষ আদালত। প্রাক্তন বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভাটের নেতৃত্বে ওই টাস্ক ফোর্সকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, ঠিক কী কারণে পড়ুয়ারা আত্মহত্যা করছেন তা খতিয়ে দেখা। কেন্দ্রকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, এই টাস্ক ফোর্সকে সক্রিয় করার। এর জন্য কেন্দ্রকে ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাস্ক ফোর্সের রিপোর্টের পর কোন্দ্র কোন ব্যবস্থা নেয় সেটাই দেখার।

–

–

–

–
–
–
–
–
–
