রামনবমীর মিছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ভিতরে করা নিয়ে ২০২৪ সাল থেকে বিতর্ক তৈরির চেষ্টা বিজেপির। ধর্মীয় মিছিলের অনুমতি দাবি করে এবারও এবিভিপি (ABVP) দ্বারস্থ কর্তৃপক্ষের। তবে উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে সেই মিছিলের অনুমতি দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাই নিয়ে ফের রাজনীতি করে অশান্তি তৈরির চেষ্টা বিজেপির ছাত্র সংগঠনের। যদিও গোটা আলোচনাকেই বিজেপির ‘খবরে ভেসে থাকার চেষ্টা’ করে কটাক্ষ রাজ্যের শাসকদলের।

রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে রামনবমী (Ramnavami) উদযাপনের অনুরোধ করে কর্তৃপক্ষকে চিঠি লেখে ২৮ মার্চ। শনিবার কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের জানিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে স্থায়ী উপাচার্যের (Vice-chancellor) অনুপস্থিতিতে সেই অনুমতি তাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। আর তাতেই অসন্তুষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি (ABVP) সমর্থক পড়ুয়ারা। বিশ্ববিদ্যালয়কে বদনাম করতে তাঁরা ঢাল হিসাবে আবার ব্যবহার করেছে যাদবপুরের বাম ছাত্রদের।

এবিভিপি ছাত্র সংগঠনের দাবি, এপ্রিলের ৩,৪ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে রাজনৈতিক কর্মসূচি করেছে এসএফআই (SFI)। সেই সঙ্গে ক্যাম্পাসে ইফতার (Iftar) পালনের বিষয়টিও উল্লেখ করে তারা। অনুমতি না পেয়ে বামেদের দিকে দায় ঠেলায় ফের একবার রাম-বাম আঁতাঁত স্পষ্ট হয়েছে বলে দাবি রাজ্যের শাসকদলের। তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের দাবি, এরা দুজন ভাই ভাই। এরা হিসাব করে অনুষ্ঠান করে। আমরা একটু করতে যাব, তোরা বাধা দিবি। আবার তোরা করতে যাবি, বাধা দেব। বিজেপি-সিপিআইএম (BJP-CPIM) ভাই ভাই। আমরা একটু খবরে ভেসে থাকতে চাই, কারণ আমাদের জনভিত্তি নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ে দুপক্ষের এই বার্তাকেই প্ররোচনামূলক বলে দাবি তৃণমূলের। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট বলেন, জোর করে কোনও জায়গায় অশান্তি করে রামনবমী (Ramnavami) পালন করা যায় না। আবার যদি কেউ নিয়ম মেনে পালন করতে চায় তাকে বাধা দেওয়ার কোনও যুক্তি নেই। ফলে দুটোই প্ররোচনামূলক। রামনবমী পালন করতে গিয়ে হিংসা ছড়ানো আর রামনবমী পালন করতে দেব না – দুটোই প্ররোচনামূলক। শান্তিতে যে যার কর্মসূচি করুক।


–


–

–

–

–
–

–
