ফের বিজেপি রাজ্য, ফের গণধর্ষণ, ফের শিরোনামে ওড়িশা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জনবহুল রাস্তা কিন্তু জনপ্রিয় সি বিচ – বদলেছে শুধু ক্রাইম লোকেশন, নারী হেনস্থা কিংবা ধর্ষণ বেড়েই চলেছে মোহন চরণ মাঝির রাজ্যে (Odisha)। এবার ডবল ইঞ্জিন রাজ্যের অঙ্গুল জেলার একটি বনাঞ্চলে এক আদিবাসী মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ দুই নাবালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, গত ৪ অগাস্ট দুপুর নাগাদ তিনি তাঁর ভাইপোকে সঙ্গে নিয়ে অঙ্গুলের ছেন্দিপাড়া এলাকার একটি হাসপাতালে থেকে ফেরার পথে ঘটনাটি ঘটে। প্রস্রাব করতে বনের ভিতরে গেলে ট্রাক্টরে করে তিন যুবক সেখানে পৌঁছে যায়। মহিলাকে ঐ অবস্থায় দেখে হিংস্র পশুর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। জঙ্গলের ভেতরের দিকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে দফায় দফায় চলে গণধর্ষণ (Gangrape in Odisha)। এরপর অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। আক্রান্ত মহিলা কোনমতে বাড়ি পৌঁছানোর পর পরের দিন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে। ধৃতদের ট্রাক্টর, দু’টি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপি রাজ্যে নারী নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। মুখে কুলুপ মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির (Mohan Charan Majhi)

কেন্দ্রে পদ্ম সরকারের আমলে নারীদের উপর অত্যাচার, ধর্ষণ ও যৌন হিংসার ঘটনা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে। সাম্প্রতিককালে মোহন চরণ মাঝির রাজ্যে যেভাবে মহিলাদের উপর শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে তাতে নরেন্দ্র মোদি সরকারের “বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও” নীতির ব্যর্থতা স্পষ্ট। NCRB-র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ধর্ষণের মামলা প্রায় চল্লিশ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ওড়িশার ঘটনা আবার প্রমাণ করে দিল এটা কোনও বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, মোদি শাহদের আমলে পদ্ম রাজ্যগুলিতে নারীদের নিরাপত্তাহীনতার প্রতিচ্ছবি। দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি তুলেছে নির্যাতিতার পরিবার।
–

–

–

–

–

–
–
–
–
–
–
–
