দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশে এবার জল জীবন মিশন প্রকল্পের টাকা দেবেন তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়ক (MP-MLA) ও জেলা পরিষদ। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ দলের আরও বিস্তারিত ভাবে সাংসদ-বিধায়ক এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতিদের জানিয়ে দিলেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। শুক্রবার বিকেল চারটে নাগাদ তৃণমূল ভবন থেকে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন রাজ্য সভাপতি। সঙ্গে ছিলেন দলের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এবং তৃণমূল নেতা সমীর চক্রবর্তী। তিনি সকলকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, জল জীবন মিশন প্রকল্পের টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না। তাই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, এই প্রকল্প চালাতে তৃণমূল সাংসদরা এক কোটি টাকা, বিধায়করা দশ লক্ষ টাকা করে দেবেন। এছাড়াও জেলা পরিষদ ৫ শতাংশ টাকা দেবে। এছাড়াও আরও দু-একটি নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য সভাপতি। তিনি সাংসদ-বিধায়ক এবং সভাধিপতিদের জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রের বঞ্চনা, এসআইআর নিয়ে আরও বেশি করে প্রচার করতে হবে। মানুষকে বোঝাতে হবে। রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে একেবারে বুথ লেভেল পর্যন্ত প্রচারে তুলে আনতে হবে। রাজ্য সরকারের সদ্য চালু হওয়া ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচিতে সকলকে অংশ নিতে হবে। এর মধ্যে তিনটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছেন সুব্রত বক্সি। ১) রাজ্য সরকারের কর্মসূচি যেরকম চলছে-চলবে । পাশাপাশি এ বিষয় নিয়ে দলের বিধায়ক-সাংসদরা একই রকম ভাবে প্রচার এবং অন্যান্য সহযোগিতা এবং ক্যাম্পগুলিতে অংশ নেবে। ২) আবেদনপত্র গ্রহণ হবে নিয়ম মতো। ৩) পরবর্তী ধাপে ৯০ দিনের মধ্যে কাজগুলি শেষ করতে হবে। সহযোগিতা করতে হবে সকলকে। মানুষের পাশে থাকতে হবে।

এছাড়াও নেত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী রাজ্য সভাপতি জানিয়েছেন, সাংসদ, বিধায়ক (MP-MLA) এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতিরা তাঁদের এলাকায় প্রতিদিন অন্তত একটি করে মিটিং করবেন বা অংশ নেবেন। এসআইআর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেছেন, তা মানুষের কাছে বেশি বেশি করে পৌঁছে দিতে হবে। মানুষের সঙ্গে আরও বেশি করে জনসংযোগে থাকতে হবে।
–

–

–

–

–

‘
–
–
–
–
–
