বিধানসভা নির্বাচনের গণনার দিন কীভাবে গণনা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থীদের এজেন্ট, এমনকি প্রার্থীদেরও বের করে দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহযোগিতায় তার সাক্ষী গোটা রাজ্য। খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) শারীরিক হেনস্তা করে বের করে দেওয়া হয় গণনা কেন্দ্র (counting centre) থেকে। এরপরই তৃণমূলের জয়ের মুখে থাকা আসন রাতারাতি কয়েক ঘণ্টায় হাতছাড়া। রাতারাতি আসন বাড়িয়ে ক্ষমতা দখল বিজেপির। আদতে নির্বাচন কমিশন (ECI) ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Force) দিয়ে কীভাবে নির্বাচনের (West Bengal assembly election) প্রথম পর্যায় থেকে ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করেছে বিজেপি, এখানেই স্পষ্ট। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ (resignation) না করার সিদ্ধান্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বুধবার সেই কারণ স্পষ্ট করে দিলেন মমতা নিজেই।

দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) স্পষ্ট জানান, ইস্তফা (resignation) না দেওয়া কোনও ইগো নয়৷ ক্ষমতা আঁকড়ে থাকাও নয়৷ ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে৷ আসলে এটা প্রতিবাদের ভাষা৷ বিজেপি ১০০-র বেশি আসন চিট করেছে৷ গণনাকেন্দ্র দখল করেছে৷ ইভিএম (EVM) ম্যানিপুলেট করেছে৷ আমার গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে৷ ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে৷ আমি জিতছিলাম৷ আক্রান্ত হয়েছিলাম৷
আরও পড়ুন : আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ান: কালীঘাটের বৈঠকে তৃণমূল নেতৃত্বকে নির্দেশ দলনেত্রীর

এমনকি গণনার দিন সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের ঘটনা উল্লেখ করে তিনি জানান, আমাকে বাঁচিয়েছে বৈশ্বানর, প্রিয়দর্শিনী আর অসীম৷ এই রায় জনতার নয়৷ জনতার সরকার এটা নয়৷ আমি গিয়ে পদত্যাগ করব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক। রেকর্ড থাকুক। ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক। আমি চাই, সেই দিনটি হোক একটি কালো দিন। এটাই আমার প্রতিবাদ৷ এটাই আমাদের প্রতিরোধ৷

–

–

–

–
–
–
