Wednesday, March 25, 2026

বিরোধী ছাত্রদের মারধর: প্রতিবাদ করতেই JNU ছাত্রসংগঠনের ২৮ জন গ্রেফতার!

Date:

Share post:

একেই বলে স্বৈরাচারের চূড়ান্ত। দিল্লির ক্ষমতা দখল। কেন্দ্রের মসনদে মৌরুসি পাট্টা। এরপরেও রাজধানীর খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্য়ালয়গুলিতে যে বিজেপির ‘শাসন’ কায়েম হবে তা বলাই বাহুল্য। আর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে (Delhi University) দুটি শীর্ষ পদে বিজেপির ছাত্র সংগঠনের দুই পদাধিকারী ক্ষমতায় আসতেই শুরু বিজেপির অরাজকতা। অন্য ছাত্র সংগঠনের নেতা পদাধিকারীদের মারধর তো বটেই, অধ্যাপকের গায়ে হাত তুলতেও পিছপা হয়নি এবিভিপি (ABVP) নেত্রী। এবার এআইএসএ কর্মী ও পদাধিকারীদের এবিভিপি কর্মীদের মারের প্রতিবাদ করে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) জেলে ঠাঁই হল বিরোধী শিবিরের ছাত্রনেতাদের। যে দিল্লি পুলিশ অধ্যাপক পেটানো বিজেপি নেত্রীকে গ্রেফতার করতে পারে না, তারাই বিরোধী শিবিরের ২৮ ছাত্রনেতাকে জেলে পাঠালো।

সম্প্রতি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সভাপতির পদ জেতে এআইএসএ (AISA)। সম্পাদকের দুটি পদে জেতে এবিভিপি। এরপরই ছাত্র সংসদ সভাপতিকে মারধর করে এবিভিপি ছাত্ররা, এমনটাই অভিযোগ। এবার মারধরের ঘটনা জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU)। ছাত্র সংসদের জিবি বৈঠক চলাকালীন সংগঠনের এআইএসএ ছাত্র সংসদ সদস্যকে মারধর করার অভিযোগ এবিভিপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ জানানো হয় ছাত্র সংসদের তরফ থেকে। এআইএসএ কর্মীদের দাবি, পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করলেও তা এফআইআর (FIR) হিসাবে গ্রহণ করা হয়নি।

থানায় অভিযোগ জানাতেই এআইএসএ ছাত্রদের প্রায় দুঘণ্টা ছাত্র সংসদের ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখে এবিভিপি কর্মীরা। সেখানে পুলিশ ডাকা হলে পুলিশ আসে। কিন্তু নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। এরপর থানা ঘেরাও কর্মসূচি গ্রহণ করে বিরোধী ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। বসন্ত কুঞ্জ থানা ঘেরাও করতে গেলে ছাত্রদের পুলিশ মারধর করে প্রিজন ভ্যানে তুলে থানায় ভরে দেয়, এমনটাই অভিযোগ। জেএনইউ (JNUSU) ছাত্র সংসদ সভাপতি এআইএসএ (AISA) সদস্য নীতীশ কুমার দাবি করেন, পুলিশ ছাত্রদের মারধর করে। তার পোশাক ছিঁড়ে, মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। গ্রেফতার করা প্রাথমিকভাবে ৬০ জনকে। পরে বাকিদের ছেড়ে দিয়ে ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন: ভিন-ধর্মের যুগলকে গ্রেফতার মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ: ঐতিহাসিক রায় যোগীরাজ্যের আদালতের

যে দিল্লি পুলিশ অধ্যাপকের গায়ে হাত তোলা নেত্রীকে গ্রেফতার করতে পারে না, বিরোধীদের গ্রেফতারিতে তাদের যে দেরি হয় না, প্রমাণিত হল জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU) মারধরের ঘটনায়। শুধুমাত্র এবিভিপি (ABVP) নেত্রী হওয়ায় গ্রেফতারি এড়াতে পারে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধী।

Related articles

নির্বাচনী প্রচারে আজ নন্দীগ্রামে অভিষেক, জনসভা দাসপুর-কেশিয়াড়িতেও

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের অন্যতম হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে (Nandigram) আজ কর্মিসভা করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক...

আজ উত্তরের ময়নাগুড়ি-জলপাইগুড়ি- দার্জিলিঙে নির্বাচনী প্রচারে মমতা 

এপ্রিলে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। তার ঠিক একমাস আগে থেকেই জোর কদমে প্রচার শুরু করেছে...

কেমন আছেন সোনিয়া গান্ধী: রাতে হাসপাতালে প্রিয়াঙ্কা

রাজ্যসভার সাংসদ তথা কংগ্রেসের সংসদীয় কমিটির চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) মঙ্গলবার রাতে আচমকা অসুস্থ হয় পড়ায় তাঁকে...

ভোটের আগে ২৩টি কমিটি-পর্ষদের শীর্ষপদ থেকে ইস্তফা মুখ্যমন্ত্রীর

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিয়ম মেনে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, কমিটি ও পর্ষদের শীর্ষপদ থেকে ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা...