একটা বিস্ফোরণ। তার জেলে রুটিন তল্লাশি। ঠিক যেভাবে অন্যান্য একেকটা নাশকতার পরে চলতে থাকে। তবে জঙ্গি আঁতুড়ঘর যে দেশের ভিতরে, এক বিজেপি রাজ্যের ভিতরে দিন দিন বেড়ে উঠেছে, তা এতদিন টেরই পায়নি দেশের গোয়েন্দা বিভাগ (intelligence department)। রাজধানী দিল্লিতে বিস্ফোরণ (Delhi blast) ও মানুষের মৃত্যুর পরে অবশেষে তল্লাশিতে খোঁজ মিলল সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের যেখানে যুক্ত ছিল ফরিদাবাদ (Faridabad) থেকে ধৃত ডাক্তার শাকিল ও দিল্লি বিস্ফোরণে মৃত ডাক্তার ওমর। আর সেই সূত্রে প্রকাশ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও এক মহিলা চিকিৎসকের নাম।

হরিয়ানার (Haryana) ফরিদাবাদের ধুজ গ্রামে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে তল্লাশি অভিযান শুরু করে দিল্লি পুলিশ, ফরিদাবাদ পুলিশ, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ যৌথভাবে। সেখান থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় এই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়েই (Al-Falah University) শিক্ষকতা করতেন ওমর, শাকিল ও সাহিন। এর মধ্যে ওমর ও শাকিল দুজনেই ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

সোমবার ফরিদাবাদের একটি বাড়ি থেকে ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক (explosive) উদ্ধার হয়। প্রকাশ্যে আসে চিকিৎসক সাকিলের নাম। ফরিদাবাদের কলেজ হস্টেলে থাকলেও শুধুমাত্র বিস্ফোরক রাখার জন্য তিনি ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন। গ্রেফতার হয় সাকিল। গ্রেফতার হয় মহিলা চিকিৎসক সাহিন শাহিদ। তার গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় রাইফেল (rifle), কার্তুজ (ammunition)। এরপর দিল্লিতে বিস্ফোরণ হলে গাড়ির ও সিসিটিভি-র সূত্র (CCTV footage) ধরে প্রকাশ্যে আসে ‘ওয়ান্টেড’ চিকিৎসক ওমরের নাম।

আরও পড়ুন: বিস্ফোরক ধরা পড়তেই তড়িঘড়ি প্ল্যান-বি! দিল্লি বিস্ফোরণে আত্মঘাতী হামলার তত্ত্বের সন্দেহ

মঙ্গলবার সকাল থেকে সেই সূত্রেই তল্লাশি শুরু হয় আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেই সঙ্গে তল্লাশি হয় ডাক্তার সাহিনের দাদা পারভেজের বাড়িতেও। ফরিদাবাদের একটি হাসপাতালে তিনিও চিকিৎসক। এই জঙ্গি সংগঠনের (terrorist organisation) সঙ্গে তারও যোগ রয়েছে কি না তদন্তে পুলিশ।

–

–

–

–

–



